মোদির আহ্বানে সিদ্ধান্ত বদল করছেন বিদেশ গমনেচ্ছু ভারতীয় পর্যটকরা
অপ্রয়োজনীয় বিদেশ ভ্রমণ এড়িয়ে চলার জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আহ্বানের পর ভারতের ট্রাভেল শিল্পে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। শিল্প সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, এতে নতুন বুকিং আরও কমে যেতে পারে। বুধবার রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ চিত্র উঠে আসে। শিল্প সংশ্লিষ্টদের মতে, বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতির চাপের কারণে গ্রীষ্মকালীন বিদেশ ভ্রমণের চাহিদা আগেই ১০ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত কমে গিয়েছিল। এখন প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করতে পারে। ভারতে এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত স্কুল ছুটির সময়কে বিদেশ ভ্রমণের সবচেয়ে ব্যস্ত মৌসুম হিসেবে ধরা হয়। এ সময় তুলনামূলক সচ্ছল পরিবারগুলো ইউরোপ ও অস্ট্রেলিয়ার মতো অপেক্ষাকৃত শীতল দেশে বেড়াতে যান। ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অব ট্যুর অপারেটরসের সভাপতি রবি গোসাইন বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর বিপুল অনুসারী রয়েছে। মানুষ অনেক সময় তার পরামর্শ খুব গুরুত্বের সঙ্গে নেয়। ফলে অনেকে হয়তো ভ্রমণ আগামী বছরের জন্য পিছিয়ে দিতে পারেন।” তিনি জানান, চলতি গ্রীষ্ম মৌসুমে আগেই ১০ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত ব্যবসা কমে যাওয়ার লক্ষণ দেখা গিয়েছিল। বর্তমান পরিস্থিতির পেছনে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটকে
অপ্রয়োজনীয় বিদেশ ভ্রমণ এড়িয়ে চলার জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আহ্বানের পর ভারতের ট্রাভেল শিল্পে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। শিল্প সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, এতে নতুন বুকিং আরও কমে যেতে পারে। বুধবার রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ চিত্র উঠে আসে।
শিল্প সংশ্লিষ্টদের মতে, বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতির চাপের কারণে গ্রীষ্মকালীন বিদেশ ভ্রমণের চাহিদা আগেই ১০ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত কমে গিয়েছিল। এখন প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করতে পারে।
ভারতে এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত স্কুল ছুটির সময়কে বিদেশ ভ্রমণের সবচেয়ে ব্যস্ত মৌসুম হিসেবে ধরা হয়। এ সময় তুলনামূলক সচ্ছল পরিবারগুলো ইউরোপ ও অস্ট্রেলিয়ার মতো অপেক্ষাকৃত শীতল দেশে বেড়াতে যান।
ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অব ট্যুর অপারেটরসের সভাপতি রবি গোসাইন বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর বিপুল অনুসারী রয়েছে। মানুষ অনেক সময় তার পরামর্শ খুব গুরুত্বের সঙ্গে নেয়। ফলে অনেকে হয়তো ভ্রমণ আগামী বছরের জন্য পিছিয়ে দিতে পারেন।”
তিনি জানান, চলতি গ্রীষ্ম মৌসুমে আগেই ১০ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত ব্যবসা কমে যাওয়ার লক্ষণ দেখা গিয়েছিল।
বর্তমান পরিস্থিতির পেছনে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটকেও বড় কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইরানের কারণে হরমুজ প্রণালিতে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে উঠে গেছে।
রোববার মোদি দেশবাসীকে এক বছরের জন্য জ্বালানি ব্যবহার ও স্বর্ণালংকার কেনা কমানোর আহ্বানও জানান। উপসাগরীয় সংকটের মধ্যে ভারতের প্রায় ১ ট্রিলিয়ন ডলারের আমদানি ব্যয় কমানোর লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ বলে মনে করা হচ্ছে।
ট্রাভেল এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়ার সভাপতি সুনাল কুমার বলেন, সরকারের এই আহ্বানে দেশীয় পর্যটন বাড়ানোর চাপ বাড়তে পারে। তবে দেশীয় পর্যটনে লাভের পরিমাণ তুলনামূলক কম, যা সাধারণত একটি ট্রাভেল এজেন্সির মোট ব্যবসার মাত্র এক-পঞ্চমাংশ।
What's Your Reaction?