মোবাইল নিয়ে কেন্দ্রে যাওয়া যাবে না বলতেই উত্তেজিত ভোটাররা 

রাজধানীর রামপুরা সালামবাগ জামে মসজিদ ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণের শুরুতেই মোবাইলফোন নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করা যাবে কি না—এ বিষয়কে কেন্দ্র করে সাময়িক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ভোটগ্রহণ শুরুর আগে ৭টা ২৮ মিনিটের দিকে দায়িত্ব পালনকারী একজন পুলিশ সদস্য কেন্দ্রটিতে ভোট দিতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা ভোটারদের উদ্দেশ্য বলেন- মোবাইল নিয়ে কেন্দ্রে যাওয়া যাবে না। এ কথা বলতেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকজন ভোটার উত্তেজিত হয়ে উঠেন। তারা বলেন- ভোট কেন্দ্রে মোবাইল নিয়ে যেতে কোনো সমস্যা নেই। মোবাইল নিয়ে কেন্দ্রে যাওয়া যাবে না এমন নির্দেশনা কেউ দেয়নি। এ সময় ওই পুলিশ সদস্য হাত নেড়ে আবার বলেন- কেন্দ্রে মোবাইল নিয়ে যাওয়া যাবে না। কেউ মোবাইল নিয়ে গেলে খোয়া যেতে পারে। সবাইকে অনুরোধ করছি মোবাইল নিয়ে যাবেন না। মোবাইল বাইরে রেখে যান। এ সময় কয়েকজন উত্তেজিত হয়ে ওই পুলিশ সদস্যদের দিকে এগিয়ে এসে উচ্চ কণ্ঠে বলেন, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মোবাইল নিয়ে কেন্দ্রে যাওয়া যাবে। এর মধ্যে একজন মোবাইল নিয়ে ওই পুলিশ সদস্য কিছু একটা দেখান। তখন ওই পুলিশ সদস্য সেখান থেকে চলে আসেন। লাই

মোবাইল নিয়ে কেন্দ্রে যাওয়া যাবে না বলতেই উত্তেজিত ভোটাররা 

রাজধানীর রামপুরা সালামবাগ জামে মসজিদ ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণের শুরুতেই মোবাইলফোন নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করা যাবে কি না—এ বিষয়কে কেন্দ্র করে সাময়িক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ভোটগ্রহণ শুরুর আগে ৭টা ২৮ মিনিটের দিকে দায়িত্ব পালনকারী একজন পুলিশ সদস্য কেন্দ্রটিতে ভোট দিতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা ভোটারদের উদ্দেশ্য বলেন- মোবাইল নিয়ে কেন্দ্রে যাওয়া যাবে না।

এ কথা বলতেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকজন ভোটার উত্তেজিত হয়ে উঠেন। তারা বলেন- ভোট কেন্দ্রে মোবাইল নিয়ে যেতে কোনো সমস্যা নেই। মোবাইল নিয়ে কেন্দ্রে যাওয়া যাবে না এমন নির্দেশনা কেউ দেয়নি।

এ সময় ওই পুলিশ সদস্য হাত নেড়ে আবার বলেন- কেন্দ্রে মোবাইল নিয়ে যাওয়া যাবে না। কেউ মোবাইল নিয়ে গেলে খোয়া যেতে পারে। সবাইকে অনুরোধ করছি মোবাইল নিয়ে যাবেন না। মোবাইল বাইরে রেখে যান।

এ সময় কয়েকজন উত্তেজিত হয়ে ওই পুলিশ সদস্যদের দিকে এগিয়ে এসে উচ্চ কণ্ঠে বলেন, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মোবাইল নিয়ে কেন্দ্রে যাওয়া যাবে। এর মধ্যে একজন মোবাইল নিয়ে ওই পুলিশ সদস্য কিছু একটা দেখান। তখন ওই পুলিশ সদস্য সেখান থেকে চলে আসেন।

লাইনের পাশ থেকে সরে যাওয়ার পর ওই পুলিশ সদস্য বলেন, ভোটের আগেই উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে দেওয়া যাবে না। যার যেভাবে খুশি ভোট দিক। আমরা চাই ভোটের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ থাকুক।

ভোটগ্রহণের শুরুতে সামান্য বাগ্‌বিতণ্ডা হলেও ভোটগ্রহণ শুরুর পর প্রথম ঘণ্টায় কেন্দ্রটিতে আর কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। ভোটাররা শান্তিপূর্ণভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিচ্ছেন। এই কেন্দ্রটিতে ফজরের নামাজ পড়েই অনেকে ভোটের লাইনে দাঁড়ান।

এমএএস/জেএইচ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow