মোমবাতির আলোয় অপারেশন, হাসপাতালে আইপিএস দিলেন ইসলামী আন্দোলনের নেতা
প্রায় সময়ই বিদ্যুৎ থাকে না। বিকল্প ব্যবস্থা জেনারেটরও অচল। তাই মোমবাতি কিংবা মোবাইল ফোনের আলো জ্বালিয়ে করা হয় রোগীদের অস্ত্রোপচার। এতে রয়েছে রোগীর মৃত্যুঝুঁকি। এমনই বেহাল অবস্থা বিরাজ করছে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। এ অবস্থায় হাসপাতালটিতে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন আইপিএস দেওয়া হয়েছে। আরও পড়ুন হাসপাতালে ইয়াবা ও মাদক সেবনের সরঞ্জামসহ চিকিৎসক আটক প্রায় ৮৭ হাজার টাকা ব্যয়ে বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে আইপিএসটি দেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খোকসা শাখার সভাপতি আনোয়ার খান। এসময় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও দলটির নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নার্স ইনচার্জ রূপালী খাতুন বলেন, ‘বিদ্যুৎ থাকে না। জেনারেটর নষ্ট। টর্চ লাইট, মোমবাতি ও ফোনের আলো জ্বালিয়ে ওটি করা হতো। এতে খুবই ভোগান্তি হচ্ছিল। এখন আইপিএস এসেছে হাসপাতালে। খুব সুবিধা হবে।’ আরও পড়ুন চাঁদপুরের সিভিল সার্জনকে শেষবারের মতো ক্ষমা করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা চিকিৎসক রাহগীর মাহমুদ বলেন, আইপিএসের অভাবে জরুরি সেবা বিঘ্নিত হতো। এখন বিদ্যুৎ
প্রায় সময়ই বিদ্যুৎ থাকে না। বিকল্প ব্যবস্থা জেনারেটরও অচল। তাই মোমবাতি কিংবা মোবাইল ফোনের আলো জ্বালিয়ে করা হয় রোগীদের অস্ত্রোপচার। এতে রয়েছে রোগীর মৃত্যুঝুঁকি।
এমনই বেহাল অবস্থা বিরাজ করছে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। এ অবস্থায় হাসপাতালটিতে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন আইপিএস দেওয়া হয়েছে।
প্রায় ৮৭ হাজার টাকা ব্যয়ে বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে আইপিএসটি দেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খোকসা শাখার সভাপতি আনোয়ার খান। এসময় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও দলটির নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নার্স ইনচার্জ রূপালী খাতুন বলেন, ‘বিদ্যুৎ থাকে না। জেনারেটর নষ্ট। টর্চ লাইট, মোমবাতি ও ফোনের আলো জ্বালিয়ে ওটি করা হতো। এতে খুবই ভোগান্তি হচ্ছিল। এখন আইপিএস এসেছে হাসপাতালে। খুব সুবিধা হবে।’
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা চিকিৎসক রাহগীর মাহমুদ বলেন, আইপিএসের অভাবে জরুরি সেবা বিঘ্নিত হতো। এখন বিদ্যুৎ চলে গেলেও সেবা চলমান থাকবে। আইপিএস পেয়ে সবাই খুশি।
তবে হাসপাতালের মতো অতি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে সরকারের নজরদারি বাড়ানো উচিত বলে মনে করেন আইপিএস দাতা ইসলামী আন্দোলনের নেতা আনোয়ার খান।
আল-মামুন সাগর/এসআর/জেআইএম
What's Your Reaction?

