মোরেলগঞ্জে সরকারি নির্দেশ অমান্য করে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন না করার অভিযোগ

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে সরকারি নির্দেশ অমান্য করে ১০৯ নং উত্তর সুতালড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালন করেনি বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রহিমা আক্তার। বিদ্যালয় সুত্রে যানা যায়,সরকারি নির্দেশনা ছিল গত ১৫ জুলাই ২০২৬ বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের আঙিনায় বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন। একই নির্দেশনায় বলা ছিল দেশের প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বনজ, ফলজ ও ঔষধি ৫টি করে গাছ রোপন করতে হবে দেশের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আঙ্গিনায়। এ মর্মে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় দেশের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকগণকে নির্দেশনা দিয়ে চিঠি প্রেরণ করেন। কিন্তু উক্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা নির্দেশনাকে উপেক্ষা করে বিদ্যালয়ের আঙ্গিনায় কোন ধরনের গাছ রোপন করেননি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শারমিন আক্তার, মারজান ও দপ্তরি জাহিদ ফরাজী বলেন ঐদিন ১৫ জুলাই ম্যাডাম সকালে এসে স্কুলের হাজিরা খাতায় সই করে উপজেলায় তার অনুষ্ঠান আছে বলে চলে যান কোন কর্মসূচি পালন করেননি। এ বিষয় জানতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষ

মোরেলগঞ্জে সরকারি নির্দেশ অমান্য করে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন না করার অভিযোগ

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে সরকারি নির্দেশ অমান্য করে ১০৯ নং উত্তর সুতালড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালন করেনি বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রহিমা আক্তার।

বিদ্যালয় সুত্রে যানা যায়,সরকারি নির্দেশনা ছিল গত ১৫ জুলাই ২০২৬ বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের আঙিনায় বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন। একই নির্দেশনায় বলা ছিল দেশের প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বনজ, ফলজ ও ঔষধি ৫টি করে গাছ রোপন করতে হবে দেশের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আঙ্গিনায়। এ মর্মে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় দেশের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকগণকে নির্দেশনা দিয়ে চিঠি প্রেরণ করেন।

কিন্তু উক্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা নির্দেশনাকে উপেক্ষা করে বিদ্যালয়ের আঙ্গিনায় কোন ধরনের গাছ রোপন করেননি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শারমিন আক্তার, মারজান ও দপ্তরি জাহিদ ফরাজী বলেন ঐদিন ১৫ জুলাই ম্যাডাম সকালে এসে স্কুলের হাজিরা খাতায় সই করে উপজেলায় তার অনুষ্ঠান আছে বলে চলে যান কোন কর্মসূচি পালন করেননি।

এ বিষয় জানতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা রহিমা আক্তারের মুঠোফোনে কল করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা খন্দকার সেফাইনুর আরেফিন বলেন বিষয়টি আমি শুনেছি এবং আমি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করব। উল্লেখ্য যে, গত ৫ই আগস্ট জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস পালনের নির্দেশনা থাকলেও অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষিকা রহিমা আক্তার বিদ্যালয়ে কোন অনুষ্ঠান না করে তালা ঝুলিয়ে রেখেছিলেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow