মোহাম্মদপুরে গুলিবর্ষণ: শেখ হাসিনাসহ ৪০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় ঢাকার মোহাম্মদপুরে ছাত্রদলকর্মী গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৪০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে পুলিশ। দীর্ঘ তদন্ত শেষে সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায় ১২৭ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে। রোববার (৩ মে) ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগ সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার এসআই ফেরদৌস জামান গত ২০ এপ্রিল আদালতে এ অভিযোগপত্র দাখিল করেন। তিনি জানান, তদন্তে দেখা গেছে অব্যাহতি পাওয়া ১২৭ জন ঘটনার সময় এলাকায় উপস্থিত ছিলেন না, ফলে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ টেকসই হয়নি। ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ডের ময়ূরভিলা এলাকায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের অংশ হিসেবে বিক্ষোভ চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, বিকেল পৌনে ৩টার দিকে আন্দোলনকারীদের ওপর লাঠিচার্জ ও গুলিবর্ষণ করা হয়। এতে ছাত্রদলকর্মী শেখ মোহাম্মদ আশিক গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। আহত অবস্থায় তাকে রাস্তায় ফেলে রেখে যায় হামলাকারীরা। ঘটনার প্রায় দুই মাস পর, ২৮ সেপ্টেম্বর মোহাম্মদপুর থানায় মামলা করেন আশিক। মামলায় শেখ হাসিনাসহ ১২৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয়

মোহাম্মদপুরে গুলিবর্ষণ: শেখ হাসিনাসহ ৪০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় ঢাকার মোহাম্মদপুরে ছাত্রদলকর্মী গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৪০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে পুলিশ। দীর্ঘ তদন্ত শেষে সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায় ১২৭ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে।

রোববার (৩ মে) ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগ সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার এসআই ফেরদৌস জামান গত ২০ এপ্রিল আদালতে এ অভিযোগপত্র দাখিল করেন। তিনি জানান, তদন্তে দেখা গেছে অব্যাহতি পাওয়া ১২৭ জন ঘটনার সময় এলাকায় উপস্থিত ছিলেন না, ফলে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ টেকসই হয়নি।

২০২৪ সালের ১৯ জুলাই মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ডের ময়ূরভিলা এলাকায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের অংশ হিসেবে বিক্ষোভ চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, বিকেল পৌনে ৩টার দিকে আন্দোলনকারীদের ওপর লাঠিচার্জ ও গুলিবর্ষণ করা হয়। এতে ছাত্রদলকর্মী শেখ মোহাম্মদ আশিক গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। আহত অবস্থায় তাকে রাস্তায় ফেলে রেখে যায় হামলাকারীরা।

ঘটনার প্রায় দুই মাস পর, ২৮ সেপ্টেম্বর মোহাম্মদপুর থানায় মামলা করেন আশিক। মামলায় শেখ হাসিনাসহ ১২৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয় এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০০ থেকে ১৫০ জনকে আসামি করা হয়।

অভিযোগপত্রে বিগত সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন নেতার নামও উঠে এসেছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাবেক সংসদ সদস্য সাদেক খান এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শীর্ষ নেতাদের নির্দেশনা ও পরিকল্পনার ভিত্তিতে আন্দোলন দমন করতে সহিংস পন্থা অবলম্বনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও মামলার সাক্ষী জুয়েল হাসান রাজ জানান, সেদিন আন্দোলনে অংশ নিয়ে তিনিও গুলিবিদ্ধ হন। তার ভাষ্য, পরিস্থিতি ছিল অত্যন্ত ভয়াবহ এবং পুলিশের গুলিতে বহু মানুষ আহত হয়। তিনি অভিযোগ করেন, আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে পরিকল্পিতভাবে গুলি চালানো হয়েছিল।

তিনি বলেন, আমার হাতে গুলি লেগেছে। মাথা বা বুকে লাগলে হয়তো বাঁচতাম না। যারা দায়ী, তাদের বিচার হওয়া উচিত।

এমডিএএ/বিএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow