মোহাম্মদপুরে ২ কিশোর গ্যাংয়ের সংঘর্ষে এলেক্স ইমন নিহত
রাজধানীর মোহাম্মদপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে কিশোর গ্যাংয়ের ২ গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ইমন ওরফে ‘এলেক্স ইমন’ (২৩) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। তিনি একটি গ্রুপের নেতৃত্ব দিতেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনার পর অভিযান চালিয়ে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রোববার (১২ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবী এলাকাসংলগ্ন বেড়িবাঁধ সড়কে এ ঘটনা ঘটে। গ্রেপ্তাররা হলেন, মো. সাইফ (২৩), তুহিন (২০) ও মো. রাব্বি কাজী (২৫)। তারা নিহতের প্রতিপক্ষ গ্রুপের সদস্য বলে জানিয়েছে পুলিশ। অভিযানে তাদের কাছ থেকে ৩টি চাপাতি, একটি কাটার ও একটি স্টিলের পাত জব্দ করা হয়। পুলিশের তথ্যমতে, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ২ গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে ইমন গুরুতর আহত হন। পরে তাকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রায়েরবাজার এলাকায় ইমনের গ্রুপ ও প্রতিপক্ষ আরেকটি গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এরই জেরে রোববার বিকেলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ
রাজধানীর মোহাম্মদপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে কিশোর গ্যাংয়ের ২ গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ইমন ওরফে ‘এলেক্স ইমন’ (২৩) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। তিনি একটি গ্রুপের নেতৃত্ব দিতেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনার পর অভিযান চালিয়ে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
রোববার (১২ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবী এলাকাসংলগ্ন বেড়িবাঁধ সড়কে এ ঘটনা ঘটে।
গ্রেপ্তাররা হলেন, মো. সাইফ (২৩), তুহিন (২০) ও মো. রাব্বি কাজী (২৫)। তারা নিহতের প্রতিপক্ষ গ্রুপের সদস্য বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযানে তাদের কাছ থেকে ৩টি চাপাতি, একটি কাটার ও একটি স্টিলের পাত জব্দ করা হয়।
পুলিশের তথ্যমতে, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ২ গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে ইমন গুরুতর আহত হন। পরে তাকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রায়েরবাজার এলাকায় ইমনের গ্রুপ ও প্রতিপক্ষ আরেকটি গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এরই জেরে রোববার বিকেলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার জুয়েল রানা। তিনি বলেন, ‘আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ২ গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ইমন গুরুতর আহত হন। এরপর হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের ধরতে অভিযান চালানো হচ্ছে।’
মোহাম্মদপুর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, নিহত ইমন স্থানীয় একটি কিশোর গ্যাংয়ের নেতৃত্ব দিতেন এবং তার বিরুদ্ধে ছিনতাই ও হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। ঘটনার পেছনের কারণ উদঘাটনে কাজ চলছে।
এদিকে, ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে পুলিশ। ফুটেজে অস্ত্রধারী কয়েকজনকে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া করতে দেখা যায়।
What's Your Reaction?