মৌলভীবাজারের গল্ফ মাঠ খুঁড়ে ফেলছে চা বাগান কর্তৃপক্ষ

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের শমশেরনগর গল্ফ মাঠ খুঁড়ে চা গাছ ও রাবার গাছ লাগাচ্ছে চা বাগান কর্তৃপক্ষ। ফলে নষ্ট হতে যাচ্ছে দৃষ্টিনন্দন একটি পর্যটন কেন্দ্র। এর ফলে আগের তুলনায় পর্যটক কমার শঙ্কাও দেখা দিয়েছে। জানা গেছে, শমশেরনগর চা বাগান কর্তৃপক্ষ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকাল থেকে জেলার অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র শমশেরনগর গল্ফ মাঠ খুঁড়ে চা গাছ ও রাবার গাছ লাগানোর পরিকল্পনা করছে। ইতোমধ্যে মাঠের একটা অংশ খুঁড়ে ফেলা হয়েছে। এতে করে একদিক পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে অন্যদিকে পর্যটন খাতে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়বে। স্থানীয়রা বলছেন, চা বাগান কর্তৃপক্ষের এমন সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই কাম্য নয়। এখানে প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে শত শত পর্যটক আসে। বাগান কর্তৃপক্ষ কোনো অবস্থায় একটি পর্যটন কেন্দ্র নষ্ট করতে পারে না। দ্রুত সময়ে এ কাজ বন্ধ করতে হবে। নজমুল ইসলাম নামে এক পর্যটক বলেন, বাগান কর্তৃপক্ষ যে কাজ করছে তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। সুন্দর একটি পর্যটন কেন্দ্র এভাবে নষ্ট করার অধিকার তাদেরকে কে দিয়েছে। এখানে প্রাকৃতিক পরিবেশে দেখতে দেশবিদেশ থেকে পর্যটকেরা আসেন। বিষয়টি জানার জন্য শমশেরনগর চা বাগানের ব্যবস্থাপক ও সহকারী ব্যবস্

মৌলভীবাজারের গল্ফ মাঠ খুঁড়ে ফেলছে চা বাগান কর্তৃপক্ষ

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের শমশেরনগর গল্ফ মাঠ খুঁড়ে চা গাছ ও রাবার গাছ লাগাচ্ছে চা বাগান কর্তৃপক্ষ। ফলে নষ্ট হতে যাচ্ছে দৃষ্টিনন্দন একটি পর্যটন কেন্দ্র। এর ফলে আগের তুলনায় পর্যটক কমার শঙ্কাও দেখা দিয়েছে।

জানা গেছে, শমশেরনগর চা বাগান কর্তৃপক্ষ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকাল থেকে জেলার অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র শমশেরনগর গল্ফ মাঠ খুঁড়ে চা গাছ ও রাবার গাছ লাগানোর পরিকল্পনা করছে। ইতোমধ্যে মাঠের একটা অংশ খুঁড়ে ফেলা হয়েছে। এতে করে একদিক পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে অন্যদিকে পর্যটন খাতে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়বে।

স্থানীয়রা বলছেন, চা বাগান কর্তৃপক্ষের এমন সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই কাম্য নয়। এখানে প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে শত শত পর্যটক আসে। বাগান কর্তৃপক্ষ কোনো অবস্থায় একটি পর্যটন কেন্দ্র নষ্ট করতে পারে না। দ্রুত সময়ে এ কাজ বন্ধ করতে হবে।

নজমুল ইসলাম নামে এক পর্যটক বলেন, বাগান কর্তৃপক্ষ যে কাজ করছে তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। সুন্দর একটি পর্যটন কেন্দ্র এভাবে নষ্ট করার অধিকার তাদেরকে কে দিয়েছে। এখানে প্রাকৃতিক পরিবেশে দেখতে দেশবিদেশ থেকে পর্যটকেরা আসেন।

বিষয়টি জানার জন্য শমশেরনগর চা বাগানের ব্যবস্থাপক ও সহকারী ব্যবস্থাপকের মোবাইলফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও ফোন রিসিভ করেননি।

মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেল বলেন, বিষয়টি নিয়ে বাগান কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করবো। এই জায়গাটা কার দখলে সেটা দেখতে হবে। প্রতিনিয়ত ঝামেলার কারণে হয়তো এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।

এম ইসলাম/এনএইচআর/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow