মৌলভীবাজারের জুড়ীতে কৃষক কার্ড বিতরণ উদ্বোধন করবেন শ্রমমন্ত্রী

আগামীকাল সকাল ১০টায় টাঙ্গাইল সদরের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। একই সময়ে মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারের অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার বাস্তবায়নের পথে এটি একটি বড় পদক্ষেপ। সোমবার (১৩ এপ্রিল) শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রথম ধাপে সারাদেশের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলায় প্রায় ২১,০০০ ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকের মধ্যে এই কার্ড বিতরণ করা হচ্ছে, যার মধ্যে জুড়ী উপজেলার ১,১০০ জন কৃষক কার্ড পাচ্ছেন। আগামী ৪ বছরে ১ কোটি ৬৫ লাখ কৃষকের হাতে এই কার্ড তুলে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার, যার প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৮১ কোটি টাকা। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষক, মৎস্যচাষি ও দুগ্ধখামারিরা নগদ প্রণোদনা, ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে ঋণ এবং কৃষি বিমাসহ মোট ১০ ধরনের বিশেষ সুবিধা পাবেন। পেশাজীবী হিসেবে কৃষকের স্বীকৃতি প্রদান, আয় বৃদ্ধি এবং ভর্তুকি বিতরণে স্বচ্ছত

মৌলভীবাজারের জুড়ীতে কৃষক কার্ড বিতরণ উদ্বোধন করবেন শ্রমমন্ত্রী

আগামীকাল সকাল ১০টায় টাঙ্গাইল সদরের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। একই সময়ে মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারের অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার বাস্তবায়নের পথে এটি একটি বড় পদক্ষেপ।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রথম ধাপে সারাদেশের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলায় প্রায় ২১,০০০ ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকের মধ্যে এই কার্ড বিতরণ করা হচ্ছে, যার মধ্যে জুড়ী উপজেলার ১,১০০ জন কৃষক কার্ড পাচ্ছেন। আগামী ৪ বছরে ১ কোটি ৬৫ লাখ কৃষকের হাতে এই কার্ড তুলে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার, যার প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৮১ কোটি টাকা।

এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষক, মৎস্যচাষি ও দুগ্ধখামারিরা নগদ প্রণোদনা, ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে ঋণ এবং কৃষি বিমাসহ মোট ১০ ধরনের বিশেষ সুবিধা পাবেন। পেশাজীবী হিসেবে কৃষকের স্বীকৃতি প্রদান, আয় বৃদ্ধি এবং ভর্তুকি বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

নির্বাচনি অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে এরই মধ্যে ১২ লাখ কৃষকের ১,৫৫০ কোটি টাকার কৃষিঋণ মওকুফ করেছে বিএনপি সরকার। প্রকৃত কৃষক শনাক্ত করতে ভূমিহীন (৫ শতাংশের কম জমির মালিক), প্রান্তিক (৫-৪৯ শতাংশ) ও ক্ষুদ্র (৫০-২৪৯ শতাংশ) সহ মোট ৫টি শ্রেণিতে কৃষকদের বিভক্ত করে ডিজিটাল ডেটাবেজ তৈরির মাধ্যমে এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

এমএএস/এমআইএইচএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow