ম্যারাডোনার মৃত্যু নিয়ে আদালতে সাক্ষীর চাঞ্চল্যকর তথ্য

আর্জেন্টিনার ফুটবল কিংবদন্তি ডিয়েগো ম্যারাডোনার মৃত্যুর আগে তার শরীরে বেশ কিছু গুরুতর সতর্ক সংকেত দেখা দিয়েছিল। তবে চিকিৎসকেরা এসব উপসর্গ যথাযথভাবে আমলে নেননি বলে আদালতে জানিয়েছেন এক ফরেনসিক চিকিৎসক। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) আর্জেন্টিনার সান ইসিদ্রোর আদালতে ম্যারাডোনার মৃত্যুর ঘটনায় চলমান মামলার শুনানিতে সাক্ষ্য দেন ফরেনসিক চিকিৎসক কার্লোস কাসিনেল্লি। তিনি জানান, বাড়িতে চিকিৎসাধীন থাকার সময় ম্যারাডোনার দুই পায়ে পানি জমা, আঙুল ফুলে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট, উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণ এবং অস্বাভাবিক দ্রুত হৃদস্পন্দনের মতো গুরুতর উপসর্গ দেখা দিয়েছিল। কাসিনেল্লির ভাষ্য, এসব লক্ষণ জীবনহানির ঝুঁকির ইঙ্গিত দিলেও পায়ে পানি জমার কারণ অনুসন্ধানে চিকিৎসকেরা কোনো উদ্যোগ নেননি। এমনকি ম্যারাডোনার চিকিৎসা পদ্ধতিতেও প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা হয়নি। তার মতে, হাসপাতালে না রেখে বাড়িতে রেখে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তটি ভুল ছিল। সাক্ষ্যে তিনি আরও বলেন, হাসপাতাল থেকে ছাড়ার পর কয়েক দিন ধরে ম্যারাডোনার শারীরিক অবস্থার ক্রমাগত অবনতি হচ্ছিল। তখনই পরিস্থিতি সম্পর্কে সতর্ক করা সম্ভব ছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ময়নাতদন্তের তথ্য তুল

ম্যারাডোনার মৃত্যু নিয়ে আদালতে সাক্ষীর চাঞ্চল্যকর তথ্য

আর্জেন্টিনার ফুটবল কিংবদন্তি ডিয়েগো ম্যারাডোনার মৃত্যুর আগে তার শরীরে বেশ কিছু গুরুতর সতর্ক সংকেত দেখা দিয়েছিল। তবে চিকিৎসকেরা এসব উপসর্গ যথাযথভাবে আমলে নেননি বলে আদালতে জানিয়েছেন এক ফরেনসিক চিকিৎসক।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) আর্জেন্টিনার সান ইসিদ্রোর আদালতে ম্যারাডোনার মৃত্যুর ঘটনায় চলমান মামলার শুনানিতে সাক্ষ্য দেন ফরেনসিক চিকিৎসক কার্লোস কাসিনেল্লি। তিনি জানান, বাড়িতে চিকিৎসাধীন থাকার সময় ম্যারাডোনার দুই পায়ে পানি জমা, আঙুল ফুলে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট, উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণ এবং অস্বাভাবিক দ্রুত হৃদস্পন্দনের মতো গুরুতর উপসর্গ দেখা দিয়েছিল।

কাসিনেল্লির ভাষ্য, এসব লক্ষণ জীবনহানির ঝুঁকির ইঙ্গিত দিলেও পায়ে পানি জমার কারণ অনুসন্ধানে চিকিৎসকেরা কোনো উদ্যোগ নেননি। এমনকি ম্যারাডোনার চিকিৎসা পদ্ধতিতেও প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা হয়নি। তার মতে, হাসপাতালে না রেখে বাড়িতে রেখে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তটি ভুল ছিল।

সাক্ষ্যে তিনি আরও বলেন, হাসপাতাল থেকে ছাড়ার পর কয়েক দিন ধরে ম্যারাডোনার শারীরিক অবস্থার ক্রমাগত অবনতি হচ্ছিল। তখনই পরিস্থিতি সম্পর্কে সতর্ক করা সম্ভব ছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ময়নাতদন্তের তথ্য তুলে ধরে কাসিনেল্লি জানান, মৃত্যুর আগে প্রায় ১২ ঘণ্টা যন্ত্রণায় ছিলেন ম্যারাডোনা। ২০২০ সালের ২৫ নভেম্বর হৃদ্‌যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে এবং ফুসফুসে তীব্রভাবে পানি জমার কারণে ৬০ বছর বয়সে মারা যান বিশ্বকাপজয়ী এই ফুটবল তারকা। মৃত্যুর মাত্র দুই সপ্তাহ আগে তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়েছিল।

ম্যারাডোনার মৃত্যুর ঘটনায় সাতজন স্বাস্থ্যকর্মীর বিরুদ্ধে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগে বিচার চলছে। তবে অভিযুক্তরা অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, দীর্ঘদিনের মাদক ও অ্যালকোহল-সংক্রান্ত সমস্যার কারণেই ম্যারাডোনার স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে।

বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, মামলার বিচার আগস্টের পরও চলতে পারে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow