ময়মনসিংহে শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

ময়মনসিংহে রুমডো পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের শিক্ষার্থী মো. শাহীনুর আলম ইকবাল হত্যা মামলায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া আরও দুই আসামিকে ৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা এবং সাত বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত দুইজনকে ২৫ হাজার করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেল চারটার দিকে ময়মনসিংহের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ জাকির হোসেন এ রায় দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ময়মনসিংহের আদালত পরিদর্শক পীরজাদা মোস্তাছিনুর রহমান। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- আসিফ রানা নাঈম, গোলাম হোসেন, আব্দুল হেলিম, মোহাম্মদ আলী, ফরিদ আহাম্মেদ বাবু, ইউনুছ আলী ও শামছুল হক। ৭ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- খালেদা আক্তার ও রেহেনা খাতুন। মামলার বিবরণ সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের ৫ জুন ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার কামারিয়া ইউনিয়নের পালাশকান্দা গ্রামে একটি সেপটিক ট্যাংকের নিচ থেকে নিহত শাহীনুর আলম ইকবালের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে ৩১ মে রাত আনুমানিক ১০টার দিকে চা খাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন শাহীনুর আলম। এরপর থেকে তিনি নিখোঁ

ময়মনসিংহে শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

ময়মনসিংহে রুমডো পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের শিক্ষার্থী মো. শাহীনুর আলম ইকবাল হত্যা মামলায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া আরও দুই আসামিকে ৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা এবং সাত বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত দুইজনকে ২৫ হাজার করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেল চারটার দিকে ময়মনসিংহের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ জাকির হোসেন এ রায় দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ময়মনসিংহের আদালত পরিদর্শক পীরজাদা মোস্তাছিনুর রহমান।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- আসিফ রানা নাঈম, গোলাম হোসেন, আব্দুল হেলিম, মোহাম্মদ আলী, ফরিদ আহাম্মেদ বাবু, ইউনুছ আলী ও শামছুল হক।

৭ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- খালেদা আক্তার ও রেহেনা খাতুন।

মামলার বিবরণ সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের ৫ জুন ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার কামারিয়া ইউনিয়নের পালাশকান্দা গ্রামে একটি সেপটিক ট্যাংকের নিচ থেকে নিহত শাহীনুর আলম ইকবালের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে ৩১ মে রাত আনুমানিক ১০টার দিকে চা খাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন শাহীনুর আলম। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। পরে শাহীনুরের মরদেহ উদ্ধারের পর তারাকান্দা থানায় মামলা করেন নিহতের ভাই সেলিম মিয়া। পরবর্তীতে পুলিশ মামলার তদন্ত করে অভিযুক্তদের নামে চার্জশীট দেয়।

বাদী পক্ষের আইনজীবী মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘ শুনানি শেষে সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত এই রায় ঘোষণা করেছেন।

কামরুজ্জামান মিন্টু/এনএইচআর/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow