ময়মনসিংহে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে মেহেদি উৎসব
একদিন পরেই ঈদুল আজহা। ঈদকে ঘিরে শিশুদের আনন্দ-উচ্ছ্বাসের কমতি থাকে না। তবে পথশিশু ও সুবিধাবঞ্চিত অনেক শিশুই সেই আনন্দ থেকে বঞ্চিত হয়। এমন শিশুদের মুখে হাসি ফোটাতে ব্যতিক্রমী আয়োজন করেছে ময়মনসিংহের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘ব্রহ্মপুত্র ব্লাড কল্যাণ সোসাইটি। সংগঠনটি সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে আয়োজন করে মেহেদি উৎসব। মঙ্গলবার (২৬ মে) বেলা ১১টার দিকে নগরীর বিপিন পার্কে এ উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন আল হেরা হাসপাতাল অ্যান্ড ট্রমা সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং ব্রহ্মপুত্র ব্লাড কল্যাণ সোসাইটির উপদেষ্টা ও স্থায়ী কমিটির সদস্য হাবিবুর রহমান মিলন। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বদেশ হাসপাতাল (প্রা.) লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সংগঠনের উপদেষ্টা শামসুদ্দোহা মাসুম। পরে সংগঠনের নারী সদস্যরা প্রায় অর্ধশতাধিক অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুর হাতে মেহেদির নকশা আঁকিয়ে দেন। হাতে মেহেদি পেয়ে আনন্দে উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠে শিশুরা। বর্ষা (৮) নামে এক শিশু বলে, আপারা মেহেদি লাগাইয়া দিছে। এমনে কইরা আগে কেউ মেহেদি দেয় নাই। হাতে মেহেদি দিয়া ঈদের আগেই অনেক আনন্দ লাগতাছে। মেহেদি উৎসবে অংশ নেওয়া এক তরুণী বলেন, ঈদে ছোট ভাই-বোনদের
একদিন পরেই ঈদুল আজহা। ঈদকে ঘিরে শিশুদের আনন্দ-উচ্ছ্বাসের কমতি থাকে না। তবে পথশিশু ও সুবিধাবঞ্চিত অনেক শিশুই সেই আনন্দ থেকে বঞ্চিত হয়। এমন শিশুদের মুখে হাসি ফোটাতে ব্যতিক্রমী আয়োজন করেছে ময়মনসিংহের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘ব্রহ্মপুত্র ব্লাড কল্যাণ সোসাইটি। সংগঠনটি সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে আয়োজন করে মেহেদি উৎসব।
মঙ্গলবার (২৬ মে) বেলা ১১টার দিকে নগরীর বিপিন পার্কে এ উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন আল হেরা হাসপাতাল অ্যান্ড ট্রমা সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং ব্রহ্মপুত্র ব্লাড কল্যাণ সোসাইটির উপদেষ্টা ও স্থায়ী কমিটির সদস্য হাবিবুর রহমান মিলন।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বদেশ হাসপাতাল (প্রা.) লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সংগঠনের উপদেষ্টা শামসুদ্দোহা মাসুম।
পরে সংগঠনের নারী সদস্যরা প্রায় অর্ধশতাধিক অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুর হাতে মেহেদির নকশা আঁকিয়ে দেন। হাতে মেহেদি পেয়ে আনন্দে উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠে শিশুরা।
বর্ষা (৮) নামে এক শিশু বলে, আপারা মেহেদি লাগাইয়া দিছে। এমনে কইরা আগে কেউ মেহেদি দেয় নাই। হাতে মেহেদি দিয়া ঈদের আগেই অনেক আনন্দ লাগতাছে।
মেহেদি উৎসবে অংশ নেওয়া এক তরুণী বলেন, ঈদে ছোট ভাই-বোনদের হাতে মেহেদি দিয়ে আনন্দ পাই। তবে এবার সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের হাতে মেহেদি পরিয়ে দিতে পেরে ভালো লাগছে।
ব্রহ্মপুত্র ব্লাড কল্যাণ সোসাইটির সভাপতি আবিদুর রহমান রনি বলেন, ঈদ সবার জন্য আনন্দের। গরিব, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুরাও যেন ঈদের আনন্দ অনুভব করতে পারে। সেই ভাবনা থেকেই এই ক্ষুদ্র আয়োজন।
সংগঠনের উপদেষ্টা ও স্থায়ী কমিটির সদস্য হাবিবুর রহমান মিলন বলেন, চেষ্টা করছি ঈদের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে। সমাজের বিত্তবানরা এগিয়ে এলে সবাইকে নিয়ে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করা সম্ভব।
সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মমিনুর রহমান প্লাবন বলেন, সুবিধাবঞ্চিত ও পথশিশুরাও যেন ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত না হয়, সেই চিন্তা থেকেই এই ব্যতিক্রমী মেহেদি উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। শিশুদের মুখে হাসি ফোটানোই ছিল মূল লক্ষ্য। মানবিক এমন ছোট ছোট উদ্যোগ সমাজে সহমর্মিতা ও ভালোবাসার বার্তা পৌঁছে দেয়।
তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতেও অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে থেকে বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম চালিয়ে যাবে সংগঠনটি।
এ সময় ব্রহ্মপুত্র ব্লাড কল্যাণ সোসাইটির উপদেষ্টা সানোয়ার হোসেন, মুফতি মো. আল আমিন, সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর আকন্দসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
হোসাইন সুলভ/এএইচ/এমএস
What's Your Reaction?