ময়মনসিংহে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৩ শিশু
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নতুন করে হামের লক্ষণ নিয়ে ৩৩ জন শিশু ভর্তি হয়েছে। বুধবার সকাল ৯টা থেকে আজ বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত তাদের ভর্তি করা হয়। হাসপাতালের হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে রেখে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, ময়মনসিংহ মেডিকেলে গত ১৭ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের লক্ষণ নিয়ে ভর্তি হয়েছে ১৭৯ শিশু। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৫ শিশুর। বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৮৬টি শিশু। অন্যদের চিকিৎসা শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
হামের রোগীদের চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল দলের সহকারী রেজিস্ট্রার মো. মাজহারুল আমিন বলেন, মার্চের মাঝামাঝি সময় হাম উপসর্গের রোগী বাড়তে থাকে। বর্তমানে ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ রোগী শরীরের র্যাশ, জ্বর, কাশি, চোখ দিয়ে পানি পড়া ও মুখে ঘায়ের সমস্যা নিয়ে ভর্তি হচ্ছে। তিনি বলেন, ৯ মাসের কম বয়সী শিশুদের হাম হওয়ার সম্ভাব্য কারণ হতে পারে, বাচ্চা মায়ের কাছ থেকে হামের পর্যাপ্ত অ্যান্টিবডি পায়নি এবং পর্যাপ্ত বুকের দুধ খায়নি। অন্য কারণ থাকতে পারে, সেগুলো গবেষণা সাপেক্ষে বলা যাবে।
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ মাইনউদ্দিন খান বলেন, হা
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নতুন করে হামের লক্ষণ নিয়ে ৩৩ জন শিশু ভর্তি হয়েছে। বুধবার সকাল ৯টা থেকে আজ বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত তাদের ভর্তি করা হয়। হাসপাতালের হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে রেখে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, ময়মনসিংহ মেডিকেলে গত ১৭ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের লক্ষণ নিয়ে ভর্তি হয়েছে ১৭৯ শিশু। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৫ শিশুর। বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৮৬টি শিশু। অন্যদের চিকিৎসা শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
হামের রোগীদের চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল দলের সহকারী রেজিস্ট্রার মো. মাজহারুল আমিন বলেন, মার্চের মাঝামাঝি সময় হাম উপসর্গের রোগী বাড়তে থাকে। বর্তমানে ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ রোগী শরীরের র্যাশ, জ্বর, কাশি, চোখ দিয়ে পানি পড়া ও মুখে ঘায়ের সমস্যা নিয়ে ভর্তি হচ্ছে। তিনি বলেন, ৯ মাসের কম বয়সী শিশুদের হাম হওয়ার সম্ভাব্য কারণ হতে পারে, বাচ্চা মায়ের কাছ থেকে হামের পর্যাপ্ত অ্যান্টিবডি পায়নি এবং পর্যাপ্ত বুকের দুধ খায়নি। অন্য কারণ থাকতে পারে, সেগুলো গবেষণা সাপেক্ষে বলা যাবে।
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ মাইনউদ্দিন খান বলেন, হাম রোগীদের চিকিৎসায় গত সোমবার হাসপাতালের আটতলার কেবিন এলাকায় ৬৪ শয্যার পৃথক আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে। সেখানে তিনটি মেডিকেল টিম গঠন করে চিকিৎসা চলছে।
ময়মনসিংহ সিভিল সার্জন (ভারপ্রাপ্ত) ডা. ফয়সাল আহমেদ বলেন, ময়মনসিংহে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হাম রোগে আক্রান্ত হয়ে ১ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছ। বাকিরা ছিলো সন্দেভাজন। এছাড়া এখন পর্যন্ত এ জেলায় নিশ্চিত হাম আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৩৭ জন। বাকীরা জ্বর, হাঁচি-কাশিসহ বিভিন্ন উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তারা সবাই সন্দেহভাজন হামের রোগী।
তিনি জানান, শিশুদের এসব উপসর্গ নিয়ে সুচিকিৎসার জন্যে ময়মনসিংহ জেলার প্রতিটি উপজেলা ন্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বহির্বিভাগে ফিবার কর্ণার, এবং আন্তঃবিভাগে তিটি বেড সুনির্দিষ্ট করে এসব রোগীদের জন্যে রাখা হয়েছে। যেখানে এধরনের রোগী চিকিৎসা নিচ্ছে।
এছাড়াও প্রতিটি উপজেলায় যে বিশেষায়িত টিম গঠন করে দেয়া হয়েছে সেই টিম প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বহি:বিভাগ ও অন্ত:বিভাগ ছাড়াও মাঠ পর্যায়ে মনিটরিং করে প্রতিদিন এ বিষয়ে সিভিল সার্জনের কাছে প্রতিবেদন দিচ্ছেন। প্রতিটি উপজেলায় সন্দেহভাজন হামের রোগীর নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে, যা পরদিন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ল্যাবে পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে কোন গণমাধ্যম বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোন ভুল তথ্য দিয়ে কোন ধরনের আতঙ্ক যেন না ছড়ানো হয় সে জন্যে তিনি আহ্বান জানিয়েছেন।