যমুনা সেতুতে একদিনে ৫৬ হাজার যান চলাচল, টোল আদায় ৩ কোটি ৮২ লাখ টাকা
আসন্ন ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে। এতে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে যানবাহন সংখ্যা কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৬ হাজার ২৩৯টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ৩ কোটি ৮২ লাখ ৯৭ হাজার ৫০ টাকা। বুধবার (২৭ মে) সকালে যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বিষয় এ তথ্য নিশ্চিত করেন। যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, সোমবার রাত ১২টা থেকে মঙ্গলবার রাত ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সেতুতে ৫৬ হাজার ২৩৯ টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর মধ্যে উত্তরবঙ্গগামী ৩৬ হাজার ৪২৬ টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ২১ লাখ ৪ হাজার ২শ’ টাকা। অপরদিকে ঢাকাগামী ১৯ হাজার ৮১৩টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর বিপরীতে টোল আদায় ১ কোটি ৬১ লাখ ৯২ হাজার ৮৫০ টাকা। যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, ঈদ যাত্রায় যমুনা সেতুর দুই পাশ দিয়ে ৯টি করে মোট ১৮ বুথ দিয়ে যানবাহন পারাপার হচ্ছে। এর মধ্যে আলাদা করে দুইটি করে বুথ দিয়ে মোটারসাইকেল পারাপার হচ্ছে। আমরা সার্বক্ষণিক টোল আদায় চালু করার চেষ্টা করছি। ১৯৯৮ সালে সেতুটি চালু হওয়ার পর থেকে কর্তৃপক্ষ ট
আসন্ন ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে। এতে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে যানবাহন সংখ্যা কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৬ হাজার ২৩৯টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ৩ কোটি ৮২ লাখ ৯৭ হাজার ৫০ টাকা।
বুধবার (২৭ মে) সকালে যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বিষয় এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, সোমবার রাত ১২টা থেকে মঙ্গলবার রাত ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সেতুতে ৫৬ হাজার ২৩৯ টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর মধ্যে উত্তরবঙ্গগামী ৩৬ হাজার ৪২৬ টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ২১ লাখ ৪ হাজার ২শ’ টাকা। অপরদিকে ঢাকাগামী ১৯ হাজার ৮১৩টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর বিপরীতে টোল আদায় ১ কোটি ৬১ লাখ ৯২ হাজার ৮৫০ টাকা।
যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, ঈদ যাত্রায় যমুনা সেতুর দুই পাশ দিয়ে ৯টি করে মোট ১৮ বুথ দিয়ে যানবাহন পারাপার হচ্ছে। এর মধ্যে আলাদা করে দুইটি করে বুথ দিয়ে মোটারসাইকেল পারাপার হচ্ছে। আমরা সার্বক্ষণিক টোল আদায় চালু করার চেষ্টা করছি।
১৯৯৮ সালে সেতুটি চালু হওয়ার পর থেকে কর্তৃপক্ষ টোল আদায় করে আসছে। বিগত সময়ে সেতুর টোল আদায় করে কমিউটার সিস্টেম নেটওয়ার্ক (সিএনএস)। সরকার পরিবর্তন হওয়ার পর ২৪ সালের শেষের দিক থেকে বর্তমানে চায়না রোড ব্রিজ করপোরেশন টোল আদায় করছে।
আব্দুল্লাহ আল নোমান/এনএইচআর/এমএস
What's Your Reaction?