যশোরের জিয়া খাল পরিদর্শন করলেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

বাংলাদেশ সরকারের পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং পঞ্চগড়-২ আসনের সাংসদ ফরহাদ হোসেন আজাদ যশোরের জিয়া খাল পরিদর্শন করেছেন। শুক্রবার দুপুরে যশোরের শার্শা উপজেলার উলাশি ইউনিয়নে তিনি এই খাল পরিদর্শন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলা প্রশাসক মো. আশেক হাসান, বিভাগীয় চিফ প্রকৌশলী বাহারুল ইসলামসহ প্রশাসনের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী জিয়া খাল নিয়ে পরিকল্পনার অংশ হিসেবে উন্নয়নের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন এবং খালে পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল খনন এবং পুনরুদ্ধার করতে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় কাজ করছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, শহীদ জিয়া বাংলাদেশে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছিলেন এবং তৎকালীন সময়ে খাল খননের মাধ্যমে কৃষিতে বিপ্লব ঘটেছিল। পরবর্তী সরকারগুলো এই কর্মসূচি থেকে সরে আসায় খালগুলো স্বাভাবিক অবস্থা হারিয়ে মরা নদী ও মরা খালে পরিণত হয়।প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী কথায় নয়, কাজে বিশ্বাস করেন, যা সরকারের দুই

যশোরের জিয়া খাল পরিদর্শন করলেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

বাংলাদেশ সরকারের পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং পঞ্চগড়-২ আসনের সাংসদ ফরহাদ হোসেন আজাদ যশোরের জিয়া খাল পরিদর্শন করেছেন। শুক্রবার দুপুরে যশোরের শার্শা উপজেলার উলাশি ইউনিয়নে তিনি এই খাল পরিদর্শন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলা প্রশাসক মো. আশেক হাসান, বিভাগীয় চিফ প্রকৌশলী বাহারুল ইসলামসহ প্রশাসনের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী জিয়া খাল নিয়ে পরিকল্পনার অংশ হিসেবে উন্নয়নের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন এবং খালে পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল খনন এবং পুনরুদ্ধার করতে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় কাজ করছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, শহীদ জিয়া বাংলাদেশে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছিলেন এবং তৎকালীন সময়ে খাল খননের মাধ্যমে কৃষিতে বিপ্লব ঘটেছিল। পরবর্তী সরকারগুলো এই কর্মসূচি থেকে সরে আসায় খালগুলো স্বাভাবিক অবস্থা হারিয়ে মরা নদী ও মরা খালে পরিণত হয়।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী কথায় নয়, কাজে বিশ্বাস করেন, যা সরকারের দুই মাস পূর্ণ না হতেই নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে দৃশ্যমান কাজ দেখে প্রমাণিত। ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, জিয়া খাল খনন করা হলে বর্ষা মৌসুমে ৩৫ বর্গ কিলোমিটার এলাকার পানি নিষ্কাশন সহজ হবে। এতে ৯৯ একর জমির ফসল জলাবদ্ধতা থেকে রক্ষা পাবে এবং প্রায় ১৮ হাজার ৫০০ কৃষক সরাসরি উপকৃত হবেন। শুষ্ক মৌসুমে ১৭৩০ একর জমিতে সেচ সুবিধা মিলবে। শুধু খননই নয়, খালের পাড়ে প্রায় আড়াই হাজার বৃক্ষ রোপণ করে পরিবেশ রক্ষায়ও সহায়তা করা হবে। এর ফলে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে, দারিদ্র্য বিমোচন হবে, খাদ্য নিরাপত্তা বাড়বে এবং মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।

খাল পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ যশোর সার্কিট হাউসের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow