যশোরে দূর্বৃত্বদের হামলায় আহত জিতু মারা গেছে

যশোরের শহরের বারান্দীপাড়ার একাধিক মামলার আসামি জিতু (৩৫) দূর্বৃত্বদের হামলায় আহত হওয়ার পর ঢাকায় নেয়ার পথে মারা গেছেন।উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হচ্ছিল। স্বজনরা জানান, নড়াইল পযন্ত পৌছালে তার মৃত্যু হয়। নিহত জিতু যশোর শহরের বারান্দীপাড়া মোল্লাপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং সিরাজুল ইসলামের ছেলে। জিতুর মরদেহ যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। স্থানীয়রা জানান, বুধবার রাত ১১টার দিকে শহরের বারান্দীপাড়া ফুলতলা মোড় এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জেরে দুর্বৃত্তদের হামলার শিকার হন জিতু। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ওই সময় অজ্ঞাতনামা একদল হামলাকারী ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে ৯৯৯-এ খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানা পুলিশ তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসায় অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় রেফার করা হয়। তবে ঢাকায় পৌঁছানোর আগেই নড়াইল এলাকায় তার মৃত্যু হয় বলে পরিবারের সদস্যরা জানান। যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল

যশোরে দূর্বৃত্বদের হামলায় আহত জিতু মারা গেছে

যশোরের শহরের বারান্দীপাড়ার একাধিক মামলার আসামি জিতু (৩৫) দূর্বৃত্বদের হামলায় আহত হওয়ার পর ঢাকায় নেয়ার পথে মারা গেছেন।উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হচ্ছিল। স্বজনরা জানান, নড়াইল পযন্ত পৌছালে তার মৃত্যু হয়। নিহত জিতু যশোর শহরের বারান্দীপাড়া মোল্লাপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং সিরাজুল ইসলামের ছেলে।

জিতুর মরদেহ যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, বুধবার রাত ১১টার দিকে শহরের বারান্দীপাড়া ফুলতলা মোড় এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জেরে দুর্বৃত্তদের হামলার শিকার হন জিতু।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ওই সময় অজ্ঞাতনামা একদল হামলাকারী ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে ৯৯৯-এ খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানা পুলিশ তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসায় অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় রেফার করা হয়। তবে ঢাকায় পৌঁছানোর আগেই নড়াইল এলাকায় তার মৃত্যু হয় বলে পরিবারের সদস্যরা জানান।

যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।

কোতোয়ালি থানার ওসি (তদন্ত) কাজী বাবুল জানান, হামলার ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। হামলাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ কাজ করছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রের দাবি, জিতুর সঙ্গে এলাকার কয়েকজনের দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। সেই বিরোধের জের ধরেই হামলার ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও জড়িতদের পরিচয় তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow