যশোরে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের হামলায় আ'লীগ কর্মী নিহত

যশোরের চৌগাছায় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের হামলায় জুয়েল রানা (৪০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার মুক্তদাহ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার পর তার মৃত্যু হয়। নিহত জুয়েল রানা উপজেলার মুক্তদাহ গ্রামের ওদুদ খন্দকারের ছেলে। স্থানীয় ও নিহতের স্ত্রী সূত্রে জানা যায়, রাজনৈতিক কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে একই গ্রামের ইউসুফ, কাশেম, বাবুসহ আরও কয়েকজন জুয়েল রানার ওপর হামলা চালায়। এ সময় তাকে বেধড়ক মারধর করা হলে শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত লাগে। হামলায় তার দুই পা হাঁটুর নিচ থেকে ভেঙে যায়। পরে তাকে ভ্যানে তুলে নিয়ে বাজারের একটি দোকানের মধ্যে আটকে রাখা হয়। সেখানে আবারও তাকে মারধর করা হয়। স্ত্রী বাধা দিতে গেলে তাকেও ওড়না দিয়ে বেঁধে রাখা হয়। পরে স্থানীয় কয়েকজনের সহযোগিতায় তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ বিষয়ে চৌগাছা থানার অফিসার ওসি মামুনুর রশিদ জানান, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে নিহত জুয়েল রানা আওয়ামী লীগ-সমর্থক ছিলেন। অন্যদিকে যাদের বিরু

যশোরে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের হামলায় আ'লীগ কর্মী নিহত

যশোরের চৌগাছায় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের হামলায় জুয়েল রানা (৪০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার মুক্তদাহ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার পর তার মৃত্যু হয়। নিহত জুয়েল রানা উপজেলার মুক্তদাহ গ্রামের ওদুদ খন্দকারের ছেলে।

স্থানীয় ও নিহতের স্ত্রী সূত্রে জানা যায়, রাজনৈতিক কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে একই গ্রামের ইউসুফ, কাশেম, বাবুসহ আরও কয়েকজন জুয়েল রানার ওপর হামলা চালায়। এ সময় তাকে বেধড়ক মারধর করা হলে শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত লাগে। হামলায় তার দুই পা হাঁটুর নিচ থেকে ভেঙে যায়। পরে তাকে ভ্যানে তুলে নিয়ে বাজারের একটি দোকানের মধ্যে আটকে রাখা হয়। সেখানে আবারও তাকে মারধর করা হয়। স্ত্রী বাধা দিতে গেলে তাকেও ওড়না দিয়ে বেঁধে রাখা হয়। পরে স্থানীয় কয়েকজনের সহযোগিতায় তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এ বিষয়ে চৌগাছা থানার অফিসার ওসি মামুনুর রশিদ জানান, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে নিহত জুয়েল রানা আওয়ামী লীগ-সমর্থক ছিলেন। অন্যদিকে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তারা বিএনপি-সমর্থক। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরেই এ হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের আটকের জন্য পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow