যশোরে ৩ প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার, দুটিতে বিদ্রোহী
যশোরের তিনটি সংসদীয় আসন থেকে তিনজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। অপরদিকে দুটি আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম রাকিব এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।
মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন যশোর-১ আসন থেকে শার্শা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হাসান জহির। যশোর-৩ আসন থেকে এনসিপির কেন্দ্রীয় সদস্য খালিদ সাইফুল্লাহ ও যশোর-৪ আসন থেকে কেন্দ্রীয় কৃষক দলের নেতা টিএস আয়ুবের ছেলে ফারহান সাজিদ।
নির্বাচনী কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তিন প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহারের আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে এবং তা বিধি অনুযায়ী যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্ত তালিকা থেকে তাদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।
যশোরের ৩টি সংসদীয় আসনে ৩ প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার করলেও দুটি আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছে। যশোর-২ আসনে জহুরুল ইসলাম। তিনি চৌগাছা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক। এ ছাড়া যশোর-৫ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী শহীদ মো. ইকবাল হোসেন। তিনি মণিরামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি।
যশোরের তিনটি সংসদীয় আসন থেকে তিনজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। অপরদিকে দুটি আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম রাকিব এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।
মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন যশোর-১ আসন থেকে শার্শা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হাসান জহির। যশোর-৩ আসন থেকে এনসিপির কেন্দ্রীয় সদস্য খালিদ সাইফুল্লাহ ও যশোর-৪ আসন থেকে কেন্দ্রীয় কৃষক দলের নেতা টিএস আয়ুবের ছেলে ফারহান সাজিদ।
নির্বাচনী কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তিন প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহারের আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে এবং তা বিধি অনুযায়ী যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্ত তালিকা থেকে তাদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।
যশোরের ৩টি সংসদীয় আসনে ৩ প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার করলেও দুটি আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছে। যশোর-২ আসনে জহুরুল ইসলাম। তিনি চৌগাছা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক। এ ছাড়া যশোর-৫ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী শহীদ মো. ইকবাল হোসেন। তিনি মণিরামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি।