‘যাত্রী নেই, খালি বাস নিয়েই যাই আর আসি’
‘এই আসেন... সায়েন্সল্যাব, সিটি কলেজ, কলাবাগান, আসাদ গেট, কল্যাণপুর, মিরপুর...।’ আজিমপুর বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে এভাবেই বারবার যাত্রী ডাকছিলেন মিরপুর রুটের ভিআইপি বাসের হেলপার জীবন মিয়া। কিন্তু তার ডাক যেন বাতাসেই মিলিয়ে যাচ্ছিল। কয়েক মিনিট অপেক্ষার পর মাত্র দুজন যাত্রী উঠলেন বাসে। তাদের নিয়েই মিরপুরের উদ্দেশে রওয়ানা দিলেন চালক মো. রহিম। বাসটি ধীরে ধীরে এগিয়ে যেতে থাকলেও চালকের মুখে ছিল হতাশার ছাপ। জাগো নিউজকে তিনি বলেন, এই রুটে বাসের যাত্রী নাই, খালি আসি আর খালি যাই। আজিমপুর থেকে মিরপুর যাওয়া পর্যন্ত সর্বোচ্চ ১০-১৫ জন যাত্রী হয়। শুধু রহিম নন, রাজধানীর বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী বাসচালকদের কণ্ঠেও একই সুর। তাদের ভাষ্য, ঈদের আগে যেখানে বাসে ওঠার জায়গা পাওয়া কঠিন ছিল, সেখানে এখন অনেক বাসই প্রায় খালি অবস্থায় চলাচল করছে। একসময় যাত্রীরা দাঁড়িয়ে থেকে গন্তব্যে পৌঁছাতেন, আর এখন আসন ফাঁকা রেখেই বাস এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটছে। তবে এ অবস্থা বেশিদিন থাকবে না। কর্মব্যস্ত নগরীতে মানুষ ফিরতে শুরু করলে আগামী দুই-চার দিনের মধ্যে যাত্রীসংখ্যাও স্বাভাবিক হয়ে আসবে। আরও পড়ুন‘ফাঁকা ঢাকায়’ ফেরা শুরু, সড়কে
‘এই আসেন... সায়েন্সল্যাব, সিটি কলেজ, কলাবাগান, আসাদ গেট, কল্যাণপুর, মিরপুর...।’ আজিমপুর বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে এভাবেই বারবার যাত্রী ডাকছিলেন মিরপুর রুটের ভিআইপি বাসের হেলপার জীবন মিয়া।
কিন্তু তার ডাক যেন বাতাসেই মিলিয়ে যাচ্ছিল। কয়েক মিনিট অপেক্ষার পর মাত্র দুজন যাত্রী উঠলেন বাসে। তাদের নিয়েই মিরপুরের উদ্দেশে রওয়ানা দিলেন চালক মো. রহিম।
বাসটি ধীরে ধীরে এগিয়ে যেতে থাকলেও চালকের মুখে ছিল হতাশার ছাপ। জাগো নিউজকে তিনি বলেন, এই রুটে বাসের যাত্রী নাই, খালি আসি আর খালি যাই। আজিমপুর থেকে মিরপুর যাওয়া পর্যন্ত সর্বোচ্চ ১০-১৫ জন যাত্রী হয়।
শুধু রহিম নন, রাজধানীর বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী বাসচালকদের কণ্ঠেও একই সুর। তাদের ভাষ্য, ঈদের আগে যেখানে বাসে ওঠার জায়গা পাওয়া কঠিন ছিল, সেখানে এখন অনেক বাসই প্রায় খালি অবস্থায় চলাচল করছে। একসময় যাত্রীরা দাঁড়িয়ে থেকে গন্তব্যে পৌঁছাতেন, আর এখন আসন ফাঁকা রেখেই বাস এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটছে।
তবে এ অবস্থা বেশিদিন থাকবে না। কর্মব্যস্ত নগরীতে মানুষ ফিরতে শুরু করলে আগামী দুই-চার দিনের মধ্যে যাত্রীসংখ্যাও স্বাভাবিক হয়ে আসবে।
আরও পড়ুন
‘ফাঁকা ঢাকায়’ ফেরা শুরু, সড়কে বেড়েছে গণপরিবহন
গরমে বাইরে থাকা দায়, ফুটপাতের শরবতেই ভরসা অনেকের
ঈদের ছুটির চতুর্থ দিন রোববার (৩০ মে) সরেজমিনে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় দেখা যায়, ঢাকার ব্যস্ত সড়কগুলো এখনো অনেকটাই ফাঁকা। সীমিত সংখ্যক গণপরিবহনের পাশাপাশি প্রাইভেটকার, ব্যক্তিগত ও ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা এবং প্যাডেলচালিত রিকশা চলাচল করছে।
গ্রামের বাড়িতে ঈদ উদযাপন শেষে অনেকেই রাজধানীতে ফিরতে শুরু করলেও নগরীর স্বাভাবিক কর্মচাঞ্চল্য এখনো পুরোপুরি ফিরে আসেনি। রাস্তাঘাটে মানুষের উপস্থিতিও তুলনামূলক কম।
একই চিত্র রাজধানীর বিপণিবিতান ও দোকানপাটেও। বিভিন্ন এলাকায় ছোট-বড় মার্কেট, শপিংমল ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খুলতে শুরু করেছে। তবে ক্রেতার পদচারণা এখনো খুবই সীমিত।
নীলক্ষেত এলাকায় বইপুস্তক ও বেডিং সামগ্রীর দোকানগুলো খুললেও অধিকাংশ দোকানই ক্রেতাশূন্য। দোকানিরা বলছেন, ঈদের ছুটি কাটিয়ে মানুষ ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছে। আরও দুই-এক দিনের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য স্বাভাবিক হয়ে উঠবে বলে তারা আশা করছেন।
ঈদের ছুটি শেষে নীলক্ষেত এলাকার দুটি পেট্রোল পাম্প আজ থেকে জ্বালানি সরবরাহ শুরু করেছে। পাম্পগুলোতে যানবাহনের চালকদের জ্বালানি নিতে দেখা গেছে। যদিও স্বাভাবিক দিনের তুলনায় ভিড় অনেকটাই কম।
এমইউ/কেএসআর
What's Your Reaction?