‘যারা এখন গণভোটকে সংবিধানবিরোধী বলেন তারাও হ্যাঁ ভোট দিয়েছিলেন’
গণভোটকে সংবিধানবিরোধী বলা ব্যক্তিরাও ‘হ্যাঁ ভোট’ দিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
তিনি বলেছেন, গণভোটের চারটি প্রশ্নে ৭০ ভাগ মানুষ ভোট দিয়ে বলেছে এই সংস্কারের সঙ্গে আমরা একমত আছি। এমনকি দেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী, আইনমন্ত্রীরা যারা এখন গণভোটকে সংবিধানবিরোধী বলেন, তারাও তো হাঁ ভোটে ভোট দিয়েছিলেন।
শনিবার (২০ জুন) বিকেলে খুলনা সার্কিট হাউজ ময়দানে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশে এ কথা বলেন তিনি।
গোলাম পরওয়ার বলেন, আমরা কোনো আধিপত্যবাদের কাছে মাথা নত করব না। সরকারকে স্পষ্ট বলে দিচ্ছি, যদি দেশবাসী এবং আমরা দেখতে পাই আধিপত্যবাদের সামনে আপনারা মাথা নত করছেন, আপনাদেরকেও আমরা ছেড়ে কথা বলব না। সাবধান, ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাত আজ প্রস্তুত।
তিনি বলেন, এই সরকার কর্তৃত্ববাদী ফ্যাসিবাদের দিকে ধাবিত হয়েছে। এখান থেকে লাগাম টেনে আমাদের গণভোটের রায় কার্যকর করতে বাধ্য করতে হবে। নির্বাচনের চার মাস পার হয়েছে। ক্ষমতাসীন দল জাতিকে যে কথা দিয়েছিল সে কথা রাখেনি। ১৮০ ডিগ্রি কথা উল্টায় দিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গণভোটে ছিল প্রধানমন্ত
গণভোটকে সংবিধানবিরোধী বলা ব্যক্তিরাও ‘হ্যাঁ ভোট’ দিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
তিনি বলেছেন, গণভোটের চারটি প্রশ্নে ৭০ ভাগ মানুষ ভোট দিয়ে বলেছে এই সংস্কারের সঙ্গে আমরা একমত আছি। এমনকি দেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী, আইনমন্ত্রীরা যারা এখন গণভোটকে সংবিধানবিরোধী বলেন, তারাও তো হাঁ ভোটে ভোট দিয়েছিলেন।
শনিবার (২০ জুন) বিকেলে খুলনা সার্কিট হাউজ ময়দানে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশে এ কথা বলেন তিনি।
গোলাম পরওয়ার বলেন, আমরা কোনো আধিপত্যবাদের কাছে মাথা নত করব না। সরকারকে স্পষ্ট বলে দিচ্ছি, যদি দেশবাসী এবং আমরা দেখতে পাই আধিপত্যবাদের সামনে আপনারা মাথা নত করছেন, আপনাদেরকেও আমরা ছেড়ে কথা বলব না। সাবধান, ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাত আজ প্রস্তুত।
তিনি বলেন, এই সরকার কর্তৃত্ববাদী ফ্যাসিবাদের দিকে ধাবিত হয়েছে। এখান থেকে লাগাম টেনে আমাদের গণভোটের রায় কার্যকর করতে বাধ্য করতে হবে। নির্বাচনের চার মাস পার হয়েছে। ক্ষমতাসীন দল জাতিকে যে কথা দিয়েছিল সে কথা রাখেনি। ১৮০ ডিগ্রি কথা উল্টায় দিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গণভোটে ছিল প্রধানমন্ত্রীর সীমাহীন ক্ষমতার লাগাম টানতে হবে, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য, সাংবিধানিক পদ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদে দলীয়করণ চলবে না। এইসব বিষয়ে উচ্চ কক্ষে পিআর পদ্ধতিতে আরও গুরুত্বপূর্ণ ৮৬ টি সংস্কার প্রস্তাবে আমরা একমত হয়েছিলাম। যার প্রায় ৪০টি ছিল সাংবিধানিক।
পরওয়ার বলেন, খুলনায়, জনদুর্ভোগ সীমা ছাড়িয়ে গেছে খুন, ধর্ষণ, লুটপাট, মসজিদে খুন, শিশু ধর্ষণ, লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ড, চাঁদাবাজিতে আজকের সব সন্ত্রাসের রাজত্ব তৈরি হয়েছে। আমাদের শান্তিপূর্ণ সমাবেশে বাগেরহাটের কিছু ভাইয়েরা আসছিলেন। আসার পথে বিএনপির সন্ত্রাসীরা তাদেরকে হামলা করেছে। অসংখ্য লোক আহত হয়েছে। দুইজন গুরুতর আহত হয়ে এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।
খুলনা বিভাগীয় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান ড. অলি আহমদ বীর বিক্রম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মুস্তাফিজুর রহমান ইরান, খেলাফত মজলিসের সিনিয়র নায়েবে আমির সাখাওয়াত হোসাইন, জাগপার সহসভাপতি রাশেদ প্রধানসহ অনেকে।