যারা হাসিনার বিরুদ্ধে লড়াই করেছে, তারা মারাত্মক বিভাজনে জড়িয়েছে

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও অ্যডজাংকট ফ্যাকাল্টি জাহেদ উর রহমান বলেছেন, ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে আমাদের মধ্যে মারাত্মক রকম বিভাজন এবং বিভেদ দেখছি। যারা শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন তাদের মধ্যেই। এই বিভেদ শত্রুতার পর্যায়ে চলে গিয়েছে। সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর সিরডাপে সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘জাতীয় নিরাপত্তা এবং আইনশৃঙ্খলা: গণতান্ত্রিক শাসনের চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক পলিসি ডায়ালগে আলোচকের বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ভেনেজুয়েলা, কিউবা ও ইউক্রেনের প্রসঙ্গ এনে জাহেদ উর রহমান বলেন, যে সময় আমরা কথা বলছি, সে সময়ে ওয়ার্ল্ড অর্ডার ভেঙে পড়েছে। আজকের প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে আমাদের একটু ভাবার দরকার আছে। কারণ এই হুমকিগুলো আমাদের বাইরে থেকেও আসতে শুরু করবে। এগুলো আসলে তখনই খুব ইফেক্টিভলি কাজ করে যখন আমাদের মধ্যে প্রচুর বিভেদ থাকে। নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একটা দেশের স্ট্যাবিলিটির জন্য নির্বাচন এসেনশিয়াল। এই জিনিসটা আমরা ঠিক মতো মেনে নিতে পারছি না। বাংলাদেশ থেকে বলা হচ্ছে নির্বাচন হলে নাকি গৃহযুদ্ধ হবে। একজন খুবই প্রমিনেন্ট পাবলিক ইন্টেলেকচুয়াল এই কথা বলেছেন। অথচ সারা পৃথিবী জানে যে, একটা

যারা হাসিনার বিরুদ্ধে লড়াই করেছে, তারা মারাত্মক বিভাজনে জড়িয়েছে

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও অ্যডজাংকট ফ্যাকাল্টি জাহেদ উর রহমান বলেছেন, ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে আমাদের মধ্যে মারাত্মক রকম বিভাজন এবং বিভেদ দেখছি। যারা শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন তাদের মধ্যেই। এই বিভেদ শত্রুতার পর্যায়ে চলে গিয়েছে।

সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর সিরডাপে সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘জাতীয় নিরাপত্তা এবং আইনশৃঙ্খলা: গণতান্ত্রিক শাসনের চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক পলিসি ডায়ালগে আলোচকের বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ভেনেজুয়েলা, কিউবা ও ইউক্রেনের প্রসঙ্গ এনে জাহেদ উর রহমান বলেন, যে সময় আমরা কথা বলছি, সে সময়ে ওয়ার্ল্ড অর্ডার ভেঙে পড়েছে। আজকের প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে আমাদের একটু ভাবার দরকার আছে। কারণ এই হুমকিগুলো আমাদের বাইরে থেকেও আসতে শুরু করবে। এগুলো আসলে তখনই খুব ইফেক্টিভলি কাজ করে যখন আমাদের মধ্যে প্রচুর বিভেদ থাকে।

নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একটা দেশের স্ট্যাবিলিটির জন্য নির্বাচন এসেনশিয়াল। এই জিনিসটা আমরা ঠিক মতো মেনে নিতে পারছি না। বাংলাদেশ থেকে বলা হচ্ছে নির্বাচন হলে নাকি গৃহযুদ্ধ হবে। একজন খুবই প্রমিনেন্ট পাবলিক ইন্টেলেকচুয়াল এই কথা বলেছেন। অথচ সারা পৃথিবী জানে যে, একটা সুষ্ঠ নির্বাচন না হওয়াই গৃহযুদ্ধ ট্রিগার করে। কিন্তু উনি এই আলাপ আনার চেষ্টা করছেন এবং বাংলাদেশে বেশ কিছু মানুষ, বেশ কিছু রাজনৈতিক দল প্রকাশ্যে অথবা ইঙ্গিতে এটার পক্ষে দাঁড়াচ্ছেন।

ঐকমত্যের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, এই বিভাজন থাকলে আমাদের জাতীয় নিরাপত্তায় যতই পুলিশ দেন, পুলিশ কমিশন করেন আর নানান কিছু করতে পারেন এগুলো আসলে আল্টিমেটলি কাজ করবে না। কারণ আমরা নীতিগতভাবে একমত হইনি যে, আমরা এটা মেনে চলবো।

একটি বইয়ের রেফারেন্স টেনে তিনি বলেন, ভালো সংবিধান স্বৈরাচার ঠেকাতে পারে না। কতগুলো মূল জায়গায় নিজেদের আসলে ঐকমত্য যদি না হয়, রাজনৈতিকভাবে যদি আমরা সেই জিনিসগুলো ঠিকঠাক করতে না পারি, কোনো কিছুই আমাদের ইন্টারনাল সিকিউরিটি এনসিওর করতে পারে না।

তিনি শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, সারা পৃথিবীতে একটা মারাত্মক রেডিক্যাল রাইটিস্ট পলিটিক্সের উত্থান হচ্ছে। এইরকম একটা রেডিক্যাল অবস্থার মধ্যে বসবাস করে আমাদের নিজেদের মধ্যে বেসিক কিছু আন্ডারস্ট্যান্ডিং মাস্ট। আমরা অন্য আলোচনাগুলোর সঙ্গে এই পলিটিক্যাল এঙ্গেজমেন্টগুলো করেই করতে হবে।

এমএইচএ/এএমএ/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow