যাহের আলভীর জামিন নাকচ, কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

ঢাকার মিরপুরের বাসা থেকে স্ত্রী ইকরার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ছোট পর্দার অভিনেতা নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়া। যিনি যাহের আলভী নামে পরিচিত, তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম কামাল উদ্দীনের আদালত এ আদেশ দেন বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি হারুন অর রশীদ।  এদিন আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন যাহের আলভী। তার পক্ষে শুনানি করেন ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়া। রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি হারুন অর রশীদ জামিন আবেদনের বিরোধিতা করেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী ঢাকা আইনজীবী সমিতির সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদও আবেদনের তীব্র বিরোধিতা করেন।উভয়পক্ষের শুনানি নিয়ে আদালত জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়। শুনানিকালে ইকরার বাবা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তাকে কাঁদতে দেখা যায়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আলভীর মিরপুর ডিওএইচএসের বাসা থেকে তার স্ত্রী আফরা ইভনাথ ইকরাকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যরা। বাসার মালিকসহ স্বজনরা মিলে তাকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে

যাহের আলভীর জামিন নাকচ, কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

ঢাকার মিরপুরের বাসা থেকে স্ত্রী ইকরার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ছোট পর্দার অভিনেতা নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়া। যিনি যাহের আলভী নামে পরিচিত, তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম কামাল উদ্দীনের আদালত এ আদেশ দেন বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি হারুন অর রশীদ। 

এদিন আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন যাহের আলভী। তার পক্ষে শুনানি করেন ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়া। রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি হারুন অর রশীদ জামিন আবেদনের বিরোধিতা করেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী ঢাকা আইনজীবী সমিতির সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদও আবেদনের তীব্র বিরোধিতা করেন।উভয়পক্ষের শুনানি নিয়ে আদালত জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়।

শুনানিকালে ইকরার বাবা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তাকে কাঁদতে দেখা যায়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আলভীর মিরপুর ডিওএইচএসের বাসা থেকে তার স্ত্রী আফরা ইভনাথ ইকরাকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যরা। বাসার মালিকসহ স্বজনরা মিলে তাকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

খবর পেয়ে পুলিশ কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট করাসহ বাসা থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে।

ঘটনার দিনই মামলা করেন ইকরার বাবা কবির হায়াত খান। দীর্ঘদিনের ‘পারিবারিক কলহ ও বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের কারণেই’ ইকরা আত্মহত্যা করতে ‘বাধ্য হয়েছেন’ বলে মামলায় অভিযোগ করেন তিনি।

স্ত্রীর মৃত্যুর সময় বিদেশে থাকা যাহের আলভীর আইনজীবী উচ্চ আদালতে আর্জি জানান যে, তিনি দেশে ফিরলে যেন গ্রেপ্তার বা হেনস্তা না করা হয়। আদালত যাহের আলভীর পক্ষেই আদেশ দেন। এ আদেশের পর ৫ জুন দেশে ফেরেন যাহের আলভী।

এর আগের দিন ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম মো. সেফাতুল্লাহ'র আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পান যাহের আলভীর মা নাসরিন সুলতানা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow