যুক্তরাষ্ট্রের কয়েক ডজন প্রতিষ্ঠানের ওপর বাণিজ্যিক বিধিনিষেধ চীনের
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন সম্প্রতি কয়েকটি চীনা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানকে কালো তালিকাভুক্ত করেছে। এর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় সোমবার (২২ জুন) যুক্তরাষ্ট্রের কয়েক ডজন প্রতিষ্ঠানের ওপর নতুন বাণিজ্যিক বিধিনিষেধ আরোপ করেছে চীন।
চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এক ঘোষণায় জানিয়েছে, তারা ১০টি মার্কিন প্রতিষ্ঠানকে রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে। এর মধ্যে রয়েছে বিরল খনিজ উত্তোলনকারী প্রতিষ্ঠান এমপি ম্যাটেরিয়ালস করপোরেশন ও ইউএসএ রেয়ার আর্থ, ড্রোন নির্মাতা টিল ড্রোনস এবং জায়া রোবোটিকস। খবর সিএনবিসির।
তালিকাভুক্ত অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে ক্যালিফোর্নিয়াভিত্তিক ইলেকট্রনিকস নির্মাতা অ্যাভিওক্স ইনকরপোরেটেড, বল অ্যারোস্পেস অ্যান্ড টেকনোলজিস করপোরেশন এবং সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহকারী ওশকশ ডিফেন্স।
এদিকে পৃথক এক ঘোষণায় চীনের অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ৪৬টি মার্কিন প্রতিষ্ঠানকে সরকারি ক্রয় প্রকল্পে অংশগ্রহণ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিদেশি বিনিয়োগে পরিচালিত এবং স্থানীয়ভাবে নিবন্ধিত কোম্পানিগুলো এ নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে থাকবে।
চলতি মাসের শুরুতে পেন্টাগন তা
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন সম্প্রতি কয়েকটি চীনা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানকে কালো তালিকাভুক্ত করেছে। এর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় সোমবার (২২ জুন) যুক্তরাষ্ট্রের কয়েক ডজন প্রতিষ্ঠানের ওপর নতুন বাণিজ্যিক বিধিনিষেধ আরোপ করেছে চীন।
চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এক ঘোষণায় জানিয়েছে, তারা ১০টি মার্কিন প্রতিষ্ঠানকে রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে। এর মধ্যে রয়েছে বিরল খনিজ উত্তোলনকারী প্রতিষ্ঠান এমপি ম্যাটেরিয়ালস করপোরেশন ও ইউএসএ রেয়ার আর্থ, ড্রোন নির্মাতা টিল ড্রোনস এবং জায়া রোবোটিকস। খবর সিএনবিসির।
তালিকাভুক্ত অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে ক্যালিফোর্নিয়াভিত্তিক ইলেকট্রনিকস নির্মাতা অ্যাভিওক্স ইনকরপোরেটেড, বল অ্যারোস্পেস অ্যান্ড টেকনোলজিস করপোরেশন এবং সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহকারী ওশকশ ডিফেন্স।
এদিকে পৃথক এক ঘোষণায় চীনের অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ৪৬টি মার্কিন প্রতিষ্ঠানকে সরকারি ক্রয় প্রকল্পে অংশগ্রহণ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিদেশি বিনিয়োগে পরিচালিত এবং স্থানীয়ভাবে নিবন্ধিত কোম্পানিগুলো এ নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে থাকবে।
চলতি মাসের শুরুতে পেন্টাগন তাদের তথাকথিত ‘১২৬০এইচ’ তালিকা হালনাগাদ করে। এতে বেইজিংয়ের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তার অভিযোগে একাধিক চীনা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানকে যুক্ত করা হয়। নতুন যোগ করা এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ছিল আলিবাবা গ্রুপ, বাইদু এবং গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বিওয়াইডি।
পরামর্শক প্রতিষ্ঠান দ্য এশিয়া গ্রুপের চীনবিষয়ক পরিচালক হান শেন লিনের মতে, চীনের এই পাল্টা ব্যবস্থা মূলত প্রতীকী পদক্ষেপ। কারণ লক্ষ্যবস্তু হওয়া অধিকাংশ মার্কিন প্রতিষ্ঠানের চীনে উল্লেখযোগ্য ব্যবসায়িক কার্যক্রম নেই।
পেন্টাগনের ১২৬০এইচ তালিকাভুক্তি সরাসরি কোনো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে না। তবে আগামী ৩০ জুন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সরাসরি চুক্তি করতে পারবে না। এছাড়া ২০২৭ সাল থেকে পরোক্ষ লেনদেনের ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ কার্যকর হবে। বিশ্লেষকদের মতে, এর ফলে অন্যান্য সরকারি সংস্থা ও বাণিজ্যিক অংশীদাররাও তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর সঙ্গে ব্যবসা করতে নিরুৎসাহিত হতে পারে।
চীনা কর্তৃপক্ষ এর আগে জানিয়েছিল, দেশীয় কোম্পানিগুলোর ‘বৈধ অধিকার ও স্বার্থ’ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে জাতীয় নিরাপত্তার অজুহাতে ‘বৈষম্যমূলক তালিকা’ প্রণয়নের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনাও করে তারা।
বিশ্লেষকদের মতে, পেন্টাগনের পদক্ষেপটিও অনেকাংশে প্রতীকী। তবে এটি দেখানোর চেষ্টা করেছে যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ভোক্তা প্রযুক্তি ও জৈবপ্রযুক্তিসহ সংবেদনশীল খাতগুলোতে চীনা প্রযুক্তির বিষয়ে ওয়াশিংটন কতটা কঠোর অবস্থান নিয়েছে।
তালিকাভুক্ত কয়েকটি চীনা প্রতিষ্ঠান এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে আইনি লড়াইয়ের ঘোষণা দিয়েছে। এর আগে চীনের স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান শাওমি আদালতে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ২০২১ সালের মে মাসে নিজেদের নাম এ ধরনের তালিকা থেকে অপসারণে সফল হয়েছিল।