যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি বাতিলের দাবিতে বরিশালে বিক্ষোভ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি ‘রেসিপ্রোক্যাল ট্রেড এগ্রিমেন্টকে’ জাতীয় স্বার্থবিরোধী আখ্যা দিয়ে তা বাতিলের দাবি জানিয়েছেন বরিশালের বাসিন্দারা। দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সোমবার (৬ এপ্রিল) বরিশাল নগরীর অশ্বিনী কুমার হল চত্বরে জড়ো হন জেলার রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা। গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের ব্যানারে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট, বরিশালের জেলা সমন্বয়কারী শহীদুল ইসলাম মিরন। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের কেন্দ্রীয় সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য আবদুল সাত্তার, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) বরিশাল জেলা শাখার সমন্বয়ক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মনীষা চক্রবর্ত্তী, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) বরিশাল জেলা শাখার সভাপতি মিজানুর রহমান সেলিম, বাংলাদেশের বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জলিলুর রহমানসহ অনেকে। বক্তাদের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত ‘রেসিপ্রোক্যাল ট্রেড এগ্রিমেন্ট’ বাংলাদেশের জন্য একপ্রকার অসম ও আত্মসমর্পণমূলক চুক্তি। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই বৈষম্যমূলক চুক্তি জনমন

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি বাতিলের দাবিতে বরিশালে বিক্ষোভ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি ‘রেসিপ্রোক্যাল ট্রেড এগ্রিমেন্টকে’ জাতীয় স্বার্থবিরোধী আখ্যা দিয়ে তা বাতিলের দাবি জানিয়েছেন বরিশালের বাসিন্দারা। দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সোমবার (৬ এপ্রিল) বরিশাল নগরীর অশ্বিনী কুমার হল চত্বরে জড়ো হন জেলার রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের ব্যানারে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট, বরিশালের জেলা সমন্বয়কারী শহীদুল ইসলাম মিরন।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের কেন্দ্রীয় সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য আবদুল সাত্তার, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) বরিশাল জেলা শাখার সমন্বয়ক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মনীষা চক্রবর্ত্তী, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) বরিশাল জেলা শাখার সভাপতি মিজানুর রহমান সেলিম, বাংলাদেশের বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জলিলুর রহমানসহ অনেকে।

বক্তাদের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত ‘রেসিপ্রোক্যাল ট্রেড এগ্রিমেন্ট’ বাংলাদেশের জন্য একপ্রকার অসম ও আত্মসমর্পণমূলক চুক্তি। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই বৈষম্যমূলক চুক্তি জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি করছে।

চুক্তি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের ৬৭১০টি পণ্যে বাংলাদেশকে শুল্ক ছাড় দিতে হবে। অন্যদিকে কেবল ১৬৩৮টি পণ্যে মার্কিন শুল্কছাড় পাবে বাংলাদেশ। ফলে বাংলাদেশ বার্ষিক ১৩২৭ কোটি টাকার আমদানি শুল্ক রাজস্ব হারাবে।

সেইসঙ্গে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বাজার থেকে সস্তায় পণ্য কেনার সুবিধা হারাবে, অতিরিক্ত মূল্যে মার্কিনিদের কাছ থেকে গম, তুলা, এলএনজি, প্রতিরক্ষা সামগ্রীসহ বিভিন্ন পণ্য কিনতে হবে। চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে মুক্তবাণিজ্য করলে যুক্তরাষ্ট্র দন্ডমূলক শুল্ক আরোপ করবে, আবার যুক্তরাষ্ট্র কারো উপর বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা বসালে বাংলাদেশকেও সেই নিষেধাজ্ঞা অনুসরণ করতে হবে।

বক্তাদের মতে, এই চুক্তি দেশের জনগণের জন্য কোনো ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে না। অবিলম্বে এই চুক্তি বাতিল করে দেশকে মার্কিন দাসত্বের ফাঁদ থেকে বের হয়ে আসারও দাবি জানান তারা।

সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বরিশাল নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow