যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন আটককেন্দ্রের বাইরে বিক্ষোভ
যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সি অঙ্গরাজ্যের ডেলানি হল ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টারের বাইরে বিক্ষোভ হয়েছে। শনিবার রাতের ওই বিক্ষোভ চলাকালে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। অভিবাসন আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট-এর বিরুদ্ধে চলমান বিক্ষোভ সহিংস রূপ নিলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাতে আনাদোলু এজেন্সির খবরে বলা হয়েছে, আটককেন্দ্রটির বাইরে ২০০ জনের বেশি মানুষ জড়ো হয়। সেখানে আইসিই-বিরোধী এবং আইসিই-সমর্থক উভয় পক্ষের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
একপর্যায়ে কিছু বিক্ষোভকারী আটককেন্দ্র ঘিরে স্থাপন করা ধাতব ব্যারিকেডে ধাক্কা দিলে উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ সরঞ্জামসহ পুলিশ সদস্যরা টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে এবং জনতাকে ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা চালায়।
পরে ঘোড়সওয়ার পুলিশ মোতায়েন করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, কিছু বিক্ষোভকারী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে পাথর ও বোতল ছুড়ে মারে। এছাড়া আটককেন্দ্রের বাইরে সড়কে আগুনও জ্বালানো হয়। তবে অন্য অনেক বিক্ষোভকারী পুলিশি নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানান।
ঘটনার আগে নিউ জার্স
যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সি অঙ্গরাজ্যের ডেলানি হল ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টারের বাইরে বিক্ষোভ হয়েছে। শনিবার রাতের ওই বিক্ষোভ চলাকালে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। অভিবাসন আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট-এর বিরুদ্ধে চলমান বিক্ষোভ সহিংস রূপ নিলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাতে আনাদোলু এজেন্সির খবরে বলা হয়েছে, আটককেন্দ্রটির বাইরে ২০০ জনের বেশি মানুষ জড়ো হয়। সেখানে আইসিই-বিরোধী এবং আইসিই-সমর্থক উভয় পক্ষের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
একপর্যায়ে কিছু বিক্ষোভকারী আটককেন্দ্র ঘিরে স্থাপন করা ধাতব ব্যারিকেডে ধাক্কা দিলে উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ সরঞ্জামসহ পুলিশ সদস্যরা টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে এবং জনতাকে ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা চালায়।
পরে ঘোড়সওয়ার পুলিশ মোতায়েন করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, কিছু বিক্ষোভকারী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে পাথর ও বোতল ছুড়ে মারে। এছাড়া আটককেন্দ্রের বাইরে সড়কে আগুনও জ্বালানো হয়। তবে অন্য অনেক বিক্ষোভকারী পুলিশি নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানান।
ঘটনার আগে নিউ জার্সির গভর্নর মিকি শেরিল শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তিনি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাজ্য পুলিশের মোতায়েনকে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বলে উল্লেখ করেন এবং বাইরের অঙ্গরাজ্য থেকে আসা ব্যক্তিদের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করার অনুরোধ জানান।
ডেলানি হল আটককেন্দ্রকে ঘিরে প্রায় এক সপ্তাহ ধরে বিক্ষোভ চলছে। এর মধ্যে গত সোমবারের এক বিক্ষোভে মার্কিন সিনেটর অ্যান্ডি কিম অভিবাসন কর্মকর্তাদের ছোড়া মরিচ স্প্রের শিকার হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বেসরকারিভাবে পরিচালিত এই আটককেন্দ্রটি সম্প্রতি সমালোচনার মুখে পড়েছে। কিছু আটক ব্যক্তি নিম্নমানের খাবার ও অপর্যাপ্ত চিকিৎসাসেবার অভিযোগ তুলে অনশন কর্মসূচি পালন করছেন বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে, ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে এবং বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে বিশৃঙ্খল আচরণ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ওপর হামলার অভিযোগ তুলেছে।