যুক্তরাষ্ট্রে ‘মসজিদে’ বন্দুক হামলা, হামলাকারীসহ নিহত ৫ 

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের সান ডিয়েগো শহরের একটি মসজিদ ও স্কুল কমপ্লেক্সে বন্দুক হামলায় তিনজন নিহত হয়েছেন। হামলায় জড়িত দুই বন্দুকধারীকেও মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, তারা নিজেরাই আত্মহত্যা করেছে। সান ডিয়েগো পুলিশ প্রধান স্কট ওয়াহল জানান, ‘ঘটনাস্থল একটি ইসলামিক সেন্টার। তাই যতক্ষণ না অন্য কিছু প্রমাণিত হচ্ছে আমরা এটিকে হেট ক্রাইম হিসেবেই বিবেচনা করছি।’ খবর বিবিসির। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সন্দেহভাজন দুই হামলাকারীর বয়স ১৭ ও ১৯ বছর। নিহতদের মধ্যে মসজিদের একজন নিরাপত্তারক্ষীও রয়েছেন। পুলিশ বলছে, তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়েনি। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিহত তিনজনই প্রাপ্তবয়স্ক। সেন্টারের স্কুলে থাকা শিশুদের কেউ শারীরিকভাবে আহত হয়নি। ঘটনার পরপরই সান ডিয়েগো পুলিশ বিভাগ সক্রিয় বন্দুকধারীর সতর্কতা জারি করে। পরে জানানো হয়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে। মসজিদেরর ইমাম তাহা হাসানি বলেন, ‘এই কেন্দ্রটি সবার জন্য প্রার্থনা, শিক্ষা ও সামাজিক মিলনের জায়গা।’ তিনি বলেন, ‘উপাসনালয়কে লক্ষ্য করে হামলা অত্যন্ত নিন্দনীয়। আমাদের ইসলামিক সেন্টার একটি শান্তিপূর্

যুক্তরাষ্ট্রে ‘মসজিদে’ বন্দুক হামলা, হামলাকারীসহ নিহত ৫ 
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের সান ডিয়েগো শহরের একটি মসজিদ ও স্কুল কমপ্লেক্সে বন্দুক হামলায় তিনজন নিহত হয়েছেন। হামলায় জড়িত দুই বন্দুকধারীকেও মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, তারা নিজেরাই আত্মহত্যা করেছে। সান ডিয়েগো পুলিশ প্রধান স্কট ওয়াহল জানান, ‘ঘটনাস্থল একটি ইসলামিক সেন্টার। তাই যতক্ষণ না অন্য কিছু প্রমাণিত হচ্ছে আমরা এটিকে হেট ক্রাইম হিসেবেই বিবেচনা করছি।’ খবর বিবিসির। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সন্দেহভাজন দুই হামলাকারীর বয়স ১৭ ও ১৯ বছর। নিহতদের মধ্যে মসজিদের একজন নিরাপত্তারক্ষীও রয়েছেন। পুলিশ বলছে, তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়েনি। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিহত তিনজনই প্রাপ্তবয়স্ক। সেন্টারের স্কুলে থাকা শিশুদের কেউ শারীরিকভাবে আহত হয়নি। ঘটনার পরপরই সান ডিয়েগো পুলিশ বিভাগ সক্রিয় বন্দুকধারীর সতর্কতা জারি করে। পরে জানানো হয়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে। মসজিদেরর ইমাম তাহা হাসানি বলেন, ‘এই কেন্দ্রটি সবার জন্য প্রার্থনা, শিক্ষা ও সামাজিক মিলনের জায়গা।’ তিনি বলেন, ‘উপাসনালয়কে লক্ষ্য করে হামলা অত্যন্ত নিন্দনীয়। আমাদের ইসলামিক সেন্টার একটি শান্তিপূর্ণ উপাসনাস্থল।’ সান ডিয়েগোর মেয়র টড গ্লোরিয়া মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রতি সংহতি জানিয়ে বলেন, ‘এই শহরে বিদ্বেষের কোনো স্থান নেই।’ তিনি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরাপত্তা জোরদারের আশ্বাসও দেন। ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বিভিন্ন কর্মকর্তা হামলার নিন্দা জানিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘটনাটিকে ‘ভয়াবহ’ উল্লেখ করে বলেন, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হবে। ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসমের কার্যালয় জানিয়েছে, তারা স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় রেখে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। ঘটনার পর নিউইয়র্ক পুলিশ শহরের মসজিদগুলোর নিরাপত্তা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। যদিও এখন পর্যন্ত নিউইয়র্কে কোনো নির্দিষ্ট হুমকির তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow