যুক্তরাষ্ট্রে মসজিদে হামলায় নিহতদের স্মরণে শোক-জানাজা সম্পন্ন
যুক্তরাষ্ট্রের সান দিয়েগোতে একটি মসজিদে হামলায় নিহত তিন ব্যক্তিকে স্মরণ করতে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার দুই হাজারের বেশি মানুষ একত্রিত হন। শোক সমাবেশে অংশ নেওয়া মুসল্লিরা নিহতদের নায়ক হিসেবে আখ্যা দেন। তাদের মতে, হামলাকারীদের বাধা দিয়ে এবং সময়ক্ষেপণ করে তারা আরও বড় ধরনের রক্তপাত ঠেকিয়েছেন, বিশেষ করে যখন মসজিদের স্কুলে শিশুরা উপস্থিত ছিল। জানাজার নামাজের জন্য একটি পার্কে তাদের মরদেহ সাদা ছাউনির নিচে কাপড় ও জায়নামাজে ঢেকে রাখা হয়। সেখানে নারী-পুরুষের পাশাপাশি ইউনিফর্ম পরিহিত পুলিশ কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। শোকাহত জনতা আরবি ভাষায় আল্লাহু আকবার ধ্বনি দেন এবং নিহতদের জন্য দোয়া করেন। পরে তিনজনকে কাছাকাছি একটি কবরস্থানে পাশাপাশি দাফন করা হয়। মসজিদের ইমাম তাহা হাসানে বলেন, আজকের এই সমাবেশ সবার জন্য একটি বার্তা। আমাদের সম্প্রদায় আঘাত পেয়েছে, কিন্তু আমরা দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে আছি। তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য ও ক্যালিফোর্নিয়ার বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ জানাজায় অংশ নিতে এসেছেন। এদিকে এফবিআই ঘটনাটিকে সম্ভাব্য বিদ্বেষমূলক অপরাধ হিসেবে তদন্ত করছে। এই হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে মুসলিম সম্প্রদ
যুক্তরাষ্ট্রের সান দিয়েগোতে একটি মসজিদে হামলায় নিহত তিন ব্যক্তিকে স্মরণ করতে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার দুই হাজারের বেশি মানুষ একত্রিত হন।
শোক সমাবেশে অংশ নেওয়া মুসল্লিরা নিহতদের নায়ক হিসেবে আখ্যা দেন। তাদের মতে, হামলাকারীদের বাধা দিয়ে এবং সময়ক্ষেপণ করে তারা আরও বড় ধরনের রক্তপাত ঠেকিয়েছেন, বিশেষ করে যখন মসজিদের স্কুলে শিশুরা উপস্থিত ছিল।
জানাজার নামাজের জন্য একটি পার্কে তাদের মরদেহ সাদা ছাউনির নিচে কাপড় ও জায়নামাজে ঢেকে রাখা হয়। সেখানে নারী-পুরুষের পাশাপাশি ইউনিফর্ম পরিহিত পুলিশ কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
শোকাহত জনতা আরবি ভাষায় আল্লাহু আকবার ধ্বনি দেন এবং নিহতদের জন্য দোয়া করেন।
পরে তিনজনকে কাছাকাছি একটি কবরস্থানে পাশাপাশি দাফন করা হয়।
মসজিদের ইমাম তাহা হাসানে বলেন, আজকের এই সমাবেশ সবার জন্য একটি বার্তা। আমাদের সম্প্রদায় আঘাত পেয়েছে, কিন্তু আমরা দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে আছি।
তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য ও ক্যালিফোর্নিয়ার বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ জানাজায় অংশ নিতে এসেছেন।
এদিকে এফবিআই ঘটনাটিকে সম্ভাব্য বিদ্বেষমূলক অপরাধ হিসেবে তদন্ত করছে। এই হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে বলে জানা গেছে।
সূত্র: রয়টার্স
এমএসএম
What's Your Reaction?