যুক্তরাষ্ট্র চাইলে ইরানের তেল দখল করতে পারে: ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, আরও কিছু সময় পেলে যুক্তরাষ্ট্র সহজেই হরমুজ প্রণালি খুলে দিয়ে ইরানের তেল দখল করতে পারে। চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে দেওয়া এই বক্তব্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।  শুক্রবার (০৩ এপ্রিল) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প লিখেছেন, আর একটু সময় পেলেই আমরা সহজেই হরমুজ প্রণালী খুলে দিতে পারব, তেল নিয়ে নিতে পারব এবং বিশাল মুনাফা করতে পারব। তিনি দাবি করেন, এটি হলে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহে বড় পরিবর্তন আসবে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালি বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রুটগুলোর একটি। এ পথে প্রায় ২০ শ তাংশ বৈশ্বিক তেল পরিবহন হয়। বর্তমানে ইরান কার্যত এই প্রণালী নিয়ন্ত্রণ করছে। ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে গেছে। মার্কিন প্রশাসন প্রণালিটি পুনরায় চালু করার প্রতিশ্রুতি দিলেও সামরিক বিশ্লেষকরা বলছেন, সরু এই জলপথে নৌবাহিনীর উপস্থিতি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কারণে ঝুঁকিপূর্ণ। ট্রাম্পের ‘ইরানের তেল দখল’ সংক্রান্ত বক্তব্য আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। জাতিসং

যুক্তরাষ্ট্র চাইলে ইরানের তেল দখল করতে পারে: ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, আরও কিছু সময় পেলে যুক্তরাষ্ট্র সহজেই হরমুজ প্রণালি খুলে দিয়ে ইরানের তেল দখল করতে পারে। চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে দেওয়া এই বক্তব্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।  শুক্রবার (০৩ এপ্রিল) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প লিখেছেন, আর একটু সময় পেলেই আমরা সহজেই হরমুজ প্রণালী খুলে দিতে পারব, তেল নিয়ে নিতে পারব এবং বিশাল মুনাফা করতে পারব। তিনি দাবি করেন, এটি হলে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহে বড় পরিবর্তন আসবে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালি বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রুটগুলোর একটি। এ পথে প্রায় ২০ শ তাংশ বৈশ্বিক তেল পরিবহন হয়। বর্তমানে ইরান কার্যত এই প্রণালী নিয়ন্ত্রণ করছে। ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে গেছে। মার্কিন প্রশাসন প্রণালিটি পুনরায় চালু করার প্রতিশ্রুতি দিলেও সামরিক বিশ্লেষকরা বলছেন, সরু এই জলপথে নৌবাহিনীর উপস্থিতি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কারণে ঝুঁকিপূর্ণ। ট্রাম্পের ‘ইরানের তেল দখল’ সংক্রান্ত বক্তব্য আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। জাতিসংঘের ১৯৬২ সালের ‘প্রাকৃতিক সম্পদের উপর স্থায়ী সার্বভৌমত্ব’ নীতি অনুসারে একটি দেশের প্রাকৃতিক সম্পদের মালিকানা সেই দেশেরই। এর আগে ট্রাম্প ইরাক ও ভেনেজুয়েলার ক্ষেত্রেও একই ধরনের মন্তব্য করেছিলেন। চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পরও ইরানের শাসনব্যবস্থা অক্ষুণ্ণ রয়েছে এবং তারা এখনো হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ করছে। একই সঙ্গে ইরান বিভিন্ন স্থানে পাল্টা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে ট্রাম্প ইতোমধ্যে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র, তেলক্ষেত্রসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলার হুমকি দিয়েছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow