যুক্তরাষ্ট্র ‘স্বৈরতন্ত্র’ পরিত্যাগ করলে চুক্তি হতে পারে: পেজেশকিয়ান
ইসলামাবাদের বৈঠক ব্যর্থ হলেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতার সম্ভাবনা এখনও রয়েছে বলে মনে করেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি তাদের ‘স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাব’ ত্যাগ করে এবং ইরানের জনগণের জাতীয় অধিকারকে সম্মান করে, তাহলে দুই দেশের মধ্যে চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব। গত রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় পেজেশকিয়ান লিখেছেন, “মার্কিন সরকার যদি তাদের স্বৈরতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি পরিহার করে এবং ইরানের জনগণের অধিকারকে স্বীকৃতি দেয়, তবে সমঝোতার পথ খোলা থাকবে। আমি আমাদের প্রতিনিধি দলের সদস্যদের, বিশেষ করে আমার প্রিয় ভাই জনাব কালিবাফকে অভিনন্দন জানাই এবং তাদের জন্য ঈশ্বরের কাছে শক্তি কামনা করি।” পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে মার্কিন ও ইরানি প্রতিনিধিদের মধ্যে অনুষ্ঠিত সংলাপ ব্যর্থ হওয়ার পরই তিনি এই মন্তব্য করেন। ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ও ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন নিয়ে গত দুই দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দেশটির বিরোধ চলছে। এ বিষয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে আলোচনা হলেও, শেষ পর্যন্ত কোনো সমঝোতা ছাড়াই তা সমাপ্ত হয়
ইসলামাবাদের বৈঠক ব্যর্থ হলেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতার সম্ভাবনা এখনও রয়েছে বলে মনে করেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি তাদের ‘স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাব’ ত্যাগ করে এবং ইরানের জনগণের জাতীয় অধিকারকে সম্মান করে, তাহলে দুই দেশের মধ্যে চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব।
গত রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় পেজেশকিয়ান লিখেছেন, “মার্কিন সরকার যদি তাদের স্বৈরতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি পরিহার করে এবং ইরানের জনগণের অধিকারকে স্বীকৃতি দেয়, তবে সমঝোতার পথ খোলা থাকবে। আমি আমাদের প্রতিনিধি দলের সদস্যদের, বিশেষ করে আমার প্রিয় ভাই জনাব কালিবাফকে অভিনন্দন জানাই এবং তাদের জন্য ঈশ্বরের কাছে শক্তি কামনা করি।”
পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে মার্কিন ও ইরানি প্রতিনিধিদের মধ্যে অনুষ্ঠিত সংলাপ ব্যর্থ হওয়ার পরই তিনি এই মন্তব্য করেন।
ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ও ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন নিয়ে গত দুই দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দেশটির বিরোধ চলছে। এ বিষয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে আলোচনা হলেও, শেষ পর্যন্ত কোনো সমঝোতা ছাড়াই তা সমাপ্ত হয়।
তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রথম দিনই নিহত হন আয়তুল্লাহ খামেনি, যিনি টানা ৩৭ বছর ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা ছিলেন। এছাড়াও ইরানে ক্ষমতাসীন ইসলামি প্রজাতন্ত্রী সরকারের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ এবং জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায়।
কূটনৈতিক পন্থায় উত্তেজনা প্রশমনের লক্ষ্যে যুদ্ধের ৩৯তম দিন, ৭ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। তারই ধারাবাহিকতায় ১১ এপ্রিল পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে সংলাপে বসেছিলেন দুই দেশের সরকারি প্রতিনিধিরা; কিন্তু ২১ ঘণ্টা ধরে আলোচনার পর কোনো সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর ছাড়াই শেষ হয়েছে সেই বৈঠক।
সূত্র : বিবিসি
What's Your Reaction?