যুদ্ধক্ষেত্রে জড়িয়ে পড়েছেন ঝিনাইদহের রাজন, শঙ্কিত পরিবার

একবুক স্বপ্ন আর পরিবারের ভাগ্য পরিবর্তনের আশা নিয়ে গত ৭ মে ২০২৬ তারিখে রাশিয়ার উদ্দেশ্যে দেশ ছেড়েছিলেন ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার মালিয়াট ইউনিয়নের গয়েশপুর গ্রামের আব্দুল কাদেরের ছেলে রাজন (২২)। কিন্তু বিদেশে ভালো চাকরির সেই স্বপ্ন এখন অনিশ্চয়তা ও শঙ্কায় পরিণত হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ঢাকার একটি রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে রাজনকে রাশিয়ায় পাঠানো হয়। সেখানে একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরির আশ্বাস দেওয়া হলেও পরে পরিস্থিতি ভিন্ন দিকে মোড় নেয়। পরিবারের দাবি, রাজনকে যুদ্ধক্ষেত্র-সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়তে হয়েছে বলে তারা জানতে পেরেছেন। আপনজনদের কাছে যুদ্ধক্ষেত্রে আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একটি ভিডিও পাঠিয়েছেন রাজন। এ ঘটনায় রাজনের পরিবার ও স্বজনরা চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তার নিরাপত্তা নিয়ে তারা শঙ্কিত এবং দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কার্যকর উদ্যোগ কামনা করেছেন। পরিবারের সদস্যরা জানান, উন্নত জীবনের আশায় বিদেশে গেলেও এখন প্রতিটি মুহূর্ত তাদের কাছে দুশ্চিন্তার। তারা রাজনের নিরাপদ প্রত্যাবর্ত

যুদ্ধক্ষেত্রে জড়িয়ে পড়েছেন ঝিনাইদহের রাজন, শঙ্কিত পরিবার

একবুক স্বপ্ন আর পরিবারের ভাগ্য পরিবর্তনের আশা নিয়ে গত ৭ মে ২০২৬ তারিখে রাশিয়ার উদ্দেশ্যে দেশ ছেড়েছিলেন ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার মালিয়াট ইউনিয়নের গয়েশপুর গ্রামের আব্দুল কাদেরের ছেলে রাজন (২২)। কিন্তু বিদেশে ভালো চাকরির সেই স্বপ্ন এখন অনিশ্চয়তা ও শঙ্কায় পরিণত হয়েছে।

পরিবারের অভিযোগ, উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ঢাকার একটি রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে রাজনকে রাশিয়ায় পাঠানো হয়। সেখানে একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরির আশ্বাস দেওয়া হলেও পরে পরিস্থিতি ভিন্ন দিকে মোড় নেয়। পরিবারের দাবি, রাজনকে যুদ্ধক্ষেত্র-সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়তে হয়েছে বলে তারা জানতে পেরেছেন। আপনজনদের কাছে যুদ্ধক্ষেত্রে আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একটি ভিডিও পাঠিয়েছেন রাজন। এ ঘটনায় রাজনের পরিবার ও স্বজনরা চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

তার নিরাপত্তা নিয়ে তারা শঙ্কিত এবং দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কার্যকর উদ্যোগ কামনা করেছেন। পরিবারের সদস্যরা জানান, উন্নত জীবনের আশায় বিদেশে গেলেও এখন প্রতিটি মুহূর্ত তাদের কাছে দুশ্চিন্তার। তারা রাজনের নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের জন্য সবার দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেছেন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow