যুদ্ধবিরতি ছাড়া ‘বিকল্প ছিল না’ ট্রাম্পের, জানা গেল আসল তথ্য

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের মধ্যেই দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চুক্তি গ্রহণ করতে বাধ্য হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump, মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রনীতি বিশ্লেষক Trita Parsi। আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পারসি বলেন, “ট্রাম্পের হাতে আসলেই কোনো ভালো বিকল্প ছিল না।” পারসি ব্যাখ্যা করেন যে, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইল যদি ইরানের শক্তি কেন্দ্র এবং তেল অবকাঠামোর ওপর আক্রমণ চালাত, তাহলে ইরান প্রতিশোধ হিসেবে সউদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের ওপর হামলা চালাত। এ পরিস্থিতিতে ঘনীভূত জ্বালানি সংকট সৃষ্টি হত, যা ট্রাম্পের জন্য রাজনৈতিকভাবে মারাত্মক পরিণতি ডেকে আনে। তিনি বলেন, “যদি পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হতো, তা ট্রাম্পের রাষ্ট্রপতি পদকে ধ্বংস করত।” পারসি আরও বলেন, ট্রাম্প হুমকি দিয়ে এলে যেন চুক্তি তার শর্তে হয়েছে মনে হয়। তবে বাস্তবতা ভিন্ন। যুদ্ধবিরতি মূলত ইরানের ১০-পয়েন্ট প্রস্তাবের ভিত্তিতে তৈরি হয়েছে। এই প্রস্তাবে রয়েছে—ইরানের কন্ট্রোল ধরে রাখা স্ট্রেইট অব হরমুজ,ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধি গ্রহণ,সব প্রাথমিক ও মাধ্যমিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার,যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী মধ্যপ্রাচ্য থেক

যুদ্ধবিরতি ছাড়া ‘বিকল্প ছিল না’ ট্রাম্পের, জানা গেল আসল তথ্য

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের মধ্যেই দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চুক্তি গ্রহণ করতে বাধ্য হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump, মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রনীতি বিশ্লেষক Trita Parsi। আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পারসি বলেন, “ট্রাম্পের হাতে আসলেই কোনো ভালো বিকল্প ছিল না।”

পারসি ব্যাখ্যা করেন যে, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইল যদি ইরানের শক্তি কেন্দ্র এবং তেল অবকাঠামোর ওপর আক্রমণ চালাত, তাহলে ইরান প্রতিশোধ হিসেবে সউদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের ওপর হামলা চালাত। এ পরিস্থিতিতে ঘনীভূত জ্বালানি সংকট সৃষ্টি হত, যা ট্রাম্পের জন্য রাজনৈতিকভাবে মারাত্মক পরিণতি ডেকে আনে। তিনি বলেন, “যদি পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হতো, তা ট্রাম্পের রাষ্ট্রপতি পদকে ধ্বংস করত।”

পারসি আরও বলেন, ট্রাম্প হুমকি দিয়ে এলে যেন চুক্তি তার শর্তে হয়েছে মনে হয়। তবে বাস্তবতা ভিন্ন। যুদ্ধবিরতি মূলত ইরানের ১০-পয়েন্ট প্রস্তাবের ভিত্তিতে তৈরি হয়েছে। এই প্রস্তাবে রয়েছে—
ইরানের কন্ট্রোল ধরে রাখা স্ট্রেইট অব হরমুজ,
ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধি গ্রহণ,
সব প্রাথমিক ও মাধ্যমিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার,
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী মধ্যপ্রাচ্য থেকে প্রত্যাহার,
ফ্রিজ করা ইরানি সম্পদ মুক্তি,
ও জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের মাধ্যমে চুক্তি বৈধ করা।

পারসি বলছেন, “দেখলে বোঝা যায় যে, চূড়ান্ত আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র প্রায় পুরোপুরি ইরানের প্রস্তাবের ভিত্তিতে এগোচ্ছে, যা আরও যুক্তিসঙ্গত এবং সমঝোতামূলক।”

বিশ্লেষকের মতে, ট্রাম্পের জন্য এটি ছিল রাজনৈতিক এবং কৌশলগতভাবে “একমাত্র নিরাপদ বিকল্প”—যাতে যুদ্ধ সম্প্রসারণ এবং বৃহত্তর মধ্যপ্রাচ্য সংকট এড়ানো যায়।

সূত্র: Al Jazeera

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow