যুদ্ধের শেষ পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ‘দৃঢ়প্রতিজ্ঞ’ ইরান

যুদ্ধের শেষ পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ‘দৃঢ়প্রতিজ্ঞ’ ইরান। দেশটির সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সংস্থা সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল জানিয়েছে, তেহরান ‘যুদ্ধের চূড়ান্ত অবসান এবং অঞ্চলে টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াতের ওপর নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ কার্যকর রাখবে’। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর কাছ থেকে পূর্ণাঙ্গ তথ্য সংগ্রহ, ট্রানজিট সনদ ইস্যু এবং সংশ্লিষ্ট সেবা ফি পরিশোধের বাধ্যবাধকতার মাধ্যমে এই ব্যবস্থা কার্যকর করা হবে। এদিকে, লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পর ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দিলেও কয়েক ঘণ্টা পরেই গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি আবারও বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ ঘটনার পর দুটি বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানি নৌবাহিনী গুলি চালিয়েছে বলেও জানা গেছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশের সময় ইরানের নৌবাহিনীর গুলির মুখে পড়ে দুটি ভারতীয় জাহাজ পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে। জাহাজগুলোর একটি ছিল ভিএলসিসি সুপারট্যাংকার, যা প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল ইরাকি তেল বহন করছিল। ঘটনার অডিও রেকর্ডিংয়ে জাহাজগুলোর ক্যাপ্টেনদ

যুদ্ধের শেষ পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ‘দৃঢ়প্রতিজ্ঞ’ ইরান

যুদ্ধের শেষ পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ‘দৃঢ়প্রতিজ্ঞ’ ইরান। দেশটির সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সংস্থা সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল জানিয়েছে, তেহরান ‘যুদ্ধের চূড়ান্ত অবসান এবং অঞ্চলে টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াতের ওপর নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ কার্যকর রাখবে’।

রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর কাছ থেকে পূর্ণাঙ্গ তথ্য সংগ্রহ, ট্রানজিট সনদ ইস্যু এবং সংশ্লিষ্ট সেবা ফি পরিশোধের বাধ্যবাধকতার মাধ্যমে এই ব্যবস্থা কার্যকর করা হবে।

এদিকে, লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পর ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দিলেও কয়েক ঘণ্টা পরেই গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি আবারও বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ ঘটনার পর দুটি বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানি নৌবাহিনী গুলি চালিয়েছে বলেও জানা গেছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশের সময় ইরানের নৌবাহিনীর গুলির মুখে পড়ে দুটি ভারতীয় জাহাজ পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে। জাহাজগুলোর একটি ছিল ভিএলসিসি সুপারট্যাংকার, যা প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল ইরাকি তেল বহন করছিল।

ঘটনার অডিও রেকর্ডিংয়ে জাহাজগুলোর ক্যাপ্টেনদের বলতে শোনা যায়, তারা প্রণালি অতিক্রমের জন্য অনুমতি পেয়েছিলেন। তবে ইরানের নৌবাহিনী থেকে জানানো হয়, বর্তমানে এই জলপথ দিয়ে কোনো জাহাজ চলাচলের অনুমতি নেই।

সূত্র: বিবিসি বাংলা, দ্য টেলিগ্রাফ
কেএএ/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow