‘যুদ্ধে ইরানই বিজয়ী’ আরো যেসব পরিস্কার বার্তা দিলেন সর্বোচ্চ নেতা

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মোজতবা খামেনি দাবি করেছেন, চলমান “আরোপিত যুদ্ধে” ইরানের জনগণই চূড়ান্ত বিজয়ী। বৃহস্পতিবার দেওয়া এক বার্তায় তিনি জনগণকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান। এই বার্তাটি দেওয়া হয় সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলি খামেনির শাহাদাতের ৪০ দিন পূর্তি উপলক্ষে। এতে তিনি ইরানি জনগণের ঐক্য, ত্যাগ ও অংশগ্রহণের প্রশংসা করে বলেন, “এই সংগ্রামে ইরান দৃঢ়ভাবে বিজয় অর্জন করেছে।” নতুন নেতা বলেন, ইরান এখন একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে এবং পশ্চিমা শক্তির প্রভাব কমে যাওয়াও দৃশ্যমান। তিনি এই অবস্থানকে শহীদদের আত্মত্যাগ ও জনগণের অংশগ্রহণের ফল বলে উল্লেখ করেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, সামরিকভাবে সংঘাত কমলেও জনগণের উপস্থিতি ও ঐক্য বজায় রাখা জরুরি। তার মতে, জনগণের আন্দোলন ও সমর্থন চলমান কূটনৈতিক আলোচনাতেও প্রভাব ফেলছে। এদিকে হরমুজ প্রণালি প্রসঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দেন, ভবিষ্যতে এ অঞ্চলে ইরানের নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার করা হবে। পাশাপাশি যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ আদায়ের কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি আঞ্চলিক দেশগুলোকে “সঠিক অবস

‘যুদ্ধে ইরানই বিজয়ী’ আরো যেসব পরিস্কার বার্তা দিলেন সর্বোচ্চ নেতা

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মোজতবা খামেনি দাবি করেছেন, চলমান “আরোপিত যুদ্ধে” ইরানের জনগণই চূড়ান্ত বিজয়ী। বৃহস্পতিবার দেওয়া এক বার্তায় তিনি জনগণকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

এই বার্তাটি দেওয়া হয় সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলি খামেনির শাহাদাতের ৪০ দিন পূর্তি উপলক্ষে। এতে তিনি ইরানি জনগণের ঐক্য, ত্যাগ ও অংশগ্রহণের প্রশংসা করে বলেন, “এই সংগ্রামে ইরান দৃঢ়ভাবে বিজয় অর্জন করেছে।”

নতুন নেতা বলেন, ইরান এখন একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে এবং পশ্চিমা শক্তির প্রভাব কমে যাওয়াও দৃশ্যমান। তিনি এই অবস্থানকে শহীদদের আত্মত্যাগ ও জনগণের অংশগ্রহণের ফল বলে উল্লেখ করেন।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, সামরিকভাবে সংঘাত কমলেও জনগণের উপস্থিতি ও ঐক্য বজায় রাখা জরুরি। তার মতে, জনগণের আন্দোলন ও সমর্থন চলমান কূটনৈতিক আলোচনাতেও প্রভাব ফেলছে।

এদিকে হরমুজ প্রণালি প্রসঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দেন, ভবিষ্যতে এ অঞ্চলে ইরানের নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার করা হবে। পাশাপাশি যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ আদায়ের কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন।

তিনি আঞ্চলিক দেশগুলোকে “সঠিক অবস্থান নেওয়ার” আহ্বান জানিয়ে সতর্ক করেন, ইরানের ওপর হামলাকারীদের শাস্তি দেওয়া হবে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, ইরান যুদ্ধ চায় না, তবে নিজেদের অধিকার থেকেও সরে আসবে না।

বার্তায় তিনি জাতীয় ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে যে সংহতি তৈরি হয়েছে, তা আরও জোরদার করতে হবে।

সবশেষে তিনি জনগণকে সতর্ক করে বলেন, শত্রুপক্ষের প্রচারমাধ্যম থেকে দূরে থাকতে হবে এবং চলমান সংকটে একে অপরকে সহযোগিতা করতে হবে।

সূত্র-presstv.

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow