যুবদল নেতার বাড়িতে আগুন
বাগেরহাটে ইউনিয়ন যুবদল নেতা মো. আলীমুজ্জামান রানার বসতবাড়ি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আগুনে অন্তত ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্ত যুবদল নেতার।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের মান্দ্রা গ্রামে রানার বাড়িতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
আলীমুজ্জামান বলেন, রোববার রাতের খাবার খেয়ে বাড়ির সবাই ঘুমিয়ে পড়ি। রাতের অন্ধকারে একদল দুর্বৃত্ত এসে আমার বাড়িতে ঢুকে কাঠ ও টিনশেডের বসতঘরের চারপাশে আগুন লাগিয়ে দেয়। আগুনের ধোঁয়ায় সবার ঘুম ভেঙে যায়। তখন আমরা জীবন বাঁচাতে ঘর থেকে বাইরে বেরিয়ে আসি। মুহূর্তেই আগুন ঘরের চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
তিনি আরও বলেন, স্থানীয় গ্রামবাসী ও ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট এসে আগুন নেভায়। ততক্ষণে আমার বসতবাড়ি, টিভি, ফ্রিজ, আসবাবপত্র ও বিভিন্ন মালামালসহ ঘরটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।
বাগেরহাট সদর মডেল থানার কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুম খান বলেন, আগুনে ঘর ও রান্নাঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আধিপত্য বিস্তার নিয়ে স্থানীয় একটি পক্ষের সাথে পুরোনো বিরোধ। রানা অভিযোগ করেছেন তার প্রতিপক্ষরা রাতের অন্ধকারে তার বাড়িতে আগুন দিয়েছে। পুলিশ বিষয়ট
বাগেরহাটে ইউনিয়ন যুবদল নেতা মো. আলীমুজ্জামান রানার বসতবাড়ি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আগুনে অন্তত ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্ত যুবদল নেতার।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের মান্দ্রা গ্রামে রানার বাড়িতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
আলীমুজ্জামান বলেন, রোববার রাতের খাবার খেয়ে বাড়ির সবাই ঘুমিয়ে পড়ি। রাতের অন্ধকারে একদল দুর্বৃত্ত এসে আমার বাড়িতে ঢুকে কাঠ ও টিনশেডের বসতঘরের চারপাশে আগুন লাগিয়ে দেয়। আগুনের ধোঁয়ায় সবার ঘুম ভেঙে যায়। তখন আমরা জীবন বাঁচাতে ঘর থেকে বাইরে বেরিয়ে আসি। মুহূর্তেই আগুন ঘরের চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
তিনি আরও বলেন, স্থানীয় গ্রামবাসী ও ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট এসে আগুন নেভায়। ততক্ষণে আমার বসতবাড়ি, টিভি, ফ্রিজ, আসবাবপত্র ও বিভিন্ন মালামালসহ ঘরটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।
বাগেরহাট সদর মডেল থানার কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুম খান বলেন, আগুনে ঘর ও রান্নাঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আধিপত্য বিস্তার নিয়ে স্থানীয় একটি পক্ষের সাথে পুরোনো বিরোধ। রানা অভিযোগ করেছেন তার প্রতিপক্ষরা রাতের অন্ধকারে তার বাড়িতে আগুন দিয়েছে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে। তদন্তের পর বিস্তারিত বলা যাবে।
জানা গেছে, স্থানীয়দের আধিপত্য নিয়ে ভোটের পরের রাতে এবং সকালে মান্দ্রা গ্রামে পাল্টাপাল্টি হামলায় জামায়াত ও বিএনপির নেতাকর্মী-সমর্থকদের অন্তত ১৫টি বসতবাড়ি ভাঙচুর ও তছনছ করা হয়।