যেদিন রমজানের চাঁদ দেখবে সৌদি আরব
পবিত্র রমজান মাস শুরুর লক্ষ্যে আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি চাঁদ দেখার ঘোষণা দিয়েছে সৌদি আরব। দেশটির সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, ১৭ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার ২৯ শাবান সূর্যাস্তের পর আনুষ্ঠানিকভাবে রমজানের চাঁদ দেখার কার্যক্রম পরিচালিত হবে। সৌদি আরবে অনুমোদিত পর্যবেক্ষকরা ওই দিন দেশজুড়ে চাঁদ দেখার চেষ্টা করবেন। যদি মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রমজানের চাঁদ দেখা যায়, তাহলে বুধবার ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে রমজান শুরু হবে এবং মুসলমানরা ভোর থেকে রোজা পালন করবেন। চাঁদ না দেখা গেলে শাবান মাস পূর্ণ ৩০ দিনে চলে যাবে এবং রমজান শুরু হবে বৃহস্পতিবার ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে। সৌদি আরবে রমজানের চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণ করে সুপ্রিম কোর্টের চাঁদ দেখা কমিটি। প্রাথমিক জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব থাকলেও ধর্মীয়ভাবে দৃশ্যমান চাঁদকে চূড়ান্ত ও বাধ্যতামূলক হিসেবে ধরা হয়। কমিটির সিদ্ধান্তের পরে রাষ্ট্রীয়ভাবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হবে। ধারণা করা হচ্ছে, এবারের রমজান শীত মৌসুমে পড়ছে। ফলে রোজার সময় তুলনামূলকভাবে কম হতে পারে; গড়ে প্রতিদিন ১২ থেকে ১৩ ঘণ্টা রোজা পালন করতে হতে পারে। রমজান শুরুর সম্ভাব্য এই সময়সূচির দিকে মুসলিম বিশ্ব, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগ
পবিত্র রমজান মাস শুরুর লক্ষ্যে আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি চাঁদ দেখার ঘোষণা দিয়েছে সৌদি আরব। দেশটির সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, ১৭ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার ২৯ শাবান সূর্যাস্তের পর আনুষ্ঠানিকভাবে রমজানের চাঁদ দেখার কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
সৌদি আরবে অনুমোদিত পর্যবেক্ষকরা ওই দিন দেশজুড়ে চাঁদ দেখার চেষ্টা করবেন। যদি মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রমজানের চাঁদ দেখা যায়, তাহলে বুধবার ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে রমজান শুরু হবে এবং মুসলমানরা ভোর থেকে রোজা পালন করবেন। চাঁদ না দেখা গেলে শাবান মাস পূর্ণ ৩০ দিনে চলে যাবে এবং রমজান শুরু হবে বৃহস্পতিবার ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে।
সৌদি আরবে রমজানের চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণ করে সুপ্রিম কোর্টের চাঁদ দেখা কমিটি। প্রাথমিক জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব থাকলেও ধর্মীয়ভাবে দৃশ্যমান চাঁদকে চূড়ান্ত ও বাধ্যতামূলক হিসেবে ধরা হয়। কমিটির সিদ্ধান্তের পরে রাষ্ট্রীয়ভাবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হবে।
ধারণা করা হচ্ছে, এবারের রমজান শীত মৌসুমে পড়ছে। ফলে রোজার সময় তুলনামূলকভাবে কম হতে পারে; গড়ে প্রতিদিন ১২ থেকে ১৩ ঘণ্টা রোজা পালন করতে হতে পারে। রমজান শুরুর সম্ভাব্য এই সময়সূচির দিকে মুসলিম বিশ্ব, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো গভীর আগ্রহ নিয়ে তাকিয়ে আছে।
What's Your Reaction?