যেসব সুবিধা মেলে ব্লু কার্ডে
দক্ষতাসম্পন্ন ও অ-ইউরোপীয় পেশাজীবীদের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নে কাজ ও বসবাসের বিশেষ আবাসিক অনুমতিপত্রকে ব্লু কার্ড বলা হয়। ইউরোপের শ্রমবাজারে যোগ্য কর্মী নিয়োগ সহজ করতে এবং বিশ্বজুড়ে থাকা মেধাবীদের আকর্ষণ করতে এই বিশেষ কার্ডের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ডেনমার্ক ও আয়ারল্যান্ড ব্যতীত ইউরোপীয় ইউনিয়নের পঁচিশটি দেশে এই কার্ড কার্যকর রয়েছে। এই কার্ডের জন্য আবেদন করতে হলে প্রার্থীকে অবশ্যই ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের দেশের নাগরিক হতে হবে। আবেদনের প্রধান শর্তগুলো নিচে দেওয়া হলো। শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা: আবেদনকারীর উচ্চতর বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রি থাকতে হবে। তবে তথ্যপ্রযুক্তি বা বিশেষ কিছু ঘাটতি থাকা খাতের ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রির বদলে কাজের অভিজ্ঞতাকেও বিবেচনা করা হয়। চাকরির চুক্তি: আবেদনকারীর কাছে ন্যূনতম ছয় মাস মেয়াদি একটি বৈধ চাকরির চুক্তি বা প্রস্তাব থাকতে হবে। বেতনের সীমা: প্রস্তাবিত বার্ষিক মোট বেতন সংশ্লিষ্ট দেশের নির্ধারিত সর্বনিম্ন বেতনের চেয়ে বেশি হতে হবে। সাধারণত এটি ওই দেশের গড় বেতনের দেড় গুণ পর্যন্ত হয়ে থাকে। অনুমোদন: পেশাটি নিয়ন্ত্রিত হলে সংশ্লিষ্ট কাজের জন্য প্রয়োজনীয়
দক্ষতাসম্পন্ন ও অ-ইউরোপীয় পেশাজীবীদের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নে কাজ ও বসবাসের বিশেষ আবাসিক অনুমতিপত্রকে ব্লু কার্ড বলা হয়।
ইউরোপের শ্রমবাজারে যোগ্য কর্মী নিয়োগ সহজ করতে এবং বিশ্বজুড়ে থাকা মেধাবীদের আকর্ষণ করতে এই বিশেষ কার্ডের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ডেনমার্ক ও আয়ারল্যান্ড ব্যতীত ইউরোপীয় ইউনিয়নের পঁচিশটি দেশে এই কার্ড কার্যকর রয়েছে।
এই কার্ডের জন্য আবেদন করতে হলে প্রার্থীকে অবশ্যই ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের দেশের নাগরিক হতে হবে। আবেদনের প্রধান শর্তগুলো নিচে দেওয়া হলো।
শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা: আবেদনকারীর উচ্চতর বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রি থাকতে হবে। তবে তথ্যপ্রযুক্তি বা বিশেষ কিছু ঘাটতি থাকা খাতের ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রির বদলে কাজের অভিজ্ঞতাকেও বিবেচনা করা হয়।
চাকরির চুক্তি: আবেদনকারীর কাছে ন্যূনতম ছয় মাস মেয়াদি একটি বৈধ চাকরির চুক্তি বা প্রস্তাব থাকতে হবে।
বেতনের সীমা: প্রস্তাবিত বার্ষিক মোট বেতন সংশ্লিষ্ট দেশের নির্ধারিত সর্বনিম্ন বেতনের চেয়ে বেশি হতে হবে। সাধারণত এটি ওই দেশের গড় বেতনের দেড় গুণ পর্যন্ত হয়ে থাকে।
অনুমোদন: পেশাটি নিয়ন্ত্রিত হলে সংশ্লিষ্ট কাজের জন্য প্রয়োজনীয় লাইসেন্স বা যোগ্যতা থাকতে হবে।
সাধারণত প্রথমবার এই কার্ড তিন থেকে চার বছরের জন্য দেওয়া হয়। চাকরির চুক্তির মেয়াদ কম হলে, চুক্তির মেয়াদের সাথে অতিরিক্ত তিন মাস যোগ করে এই কার্ড দেওয়া হয়। এই কার্ডের অধীনে থাকা পেশাজীবীরা সামাজিক নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যবিমা এবং কাজের ক্ষেত্রে সাধারণ নাগরিকদের মতোই অধিকার পান।
সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, কার্ডধারী ব্যক্তিরা তাদের পরিবারকে সাথে রাখার সুযোগ পান। এছাড়া এক বছর একটি দেশে কাজ করার পর শ্রমবাজারের নতুন কোনো পরীক্ষা ছাড়াই ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্য সদস্য রাষ্ট্রে স্থানান্তরের সুযোগ মেলে। বিভিন্ন দেশে কাটানো সময় একসাথে হিসাব করায় পরবর্তীতে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি বা নাগরিকত্ব পাওয়া সহজ হয়।
এই কার্ডের নিয়ম ও আবেদন প্রক্রিয়া দেশভেদে ভিন্ন হতে পারে। তাই আবেদনের আগে সংশ্লিষ্ট দেশের সুনির্দিষ্ট জাতীয় নিয়মাবলী ভালোভাবে জেনে নেওয়া প্রয়োজন। সকল শর্ত ও বেতনের সীমা সঠিকভাবে পূরণ না হলে আবেদন বাতিল হতে পারে।
এমআরএম
What's Your Reaction?