যে কারণে মাধুরীকে নিয়ে রটেছিল বিয়ে ভাঙার গল্প
বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিতকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই নানা গুঞ্জন প্রচলিত রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম ছিল জনপ্রিয় গায়ক সুরেশ ওয়াডকরের সঙ্গে তার বিয়ের প্রস্তাব এবং তা নাকচ হওয়ার গল্প। বহু বছর ধরে শোনা গেছে, মাধুরী নাকি খুব বেশি রোগা হওয়ায় তাকে বিয়ে করতে রাজি হননি সুরেশ। তবে সম্প্রতি সেই বহুল আলোচিত গুঞ্জন নিয়ে মুখ খুলেছেন গায়ক নিজেই। ১৯৮৪ সালে ‘অবোধ’ সিনেমার মাধ্যমে অভিনয়জগতে পা রাখেন মাধুরী। ক্যারিয়ারের শুরুতে খুব একটা সাফল্য না পেলেও ১৯৮৮ সালে ‘তেজাব’ সিনেমার মাধ্যমে রাতারাতি তারকাখ্যাতি পান তিনি। এরপর একের পর এক হিট সিনেমা উপহার দিয়ে বলিউডের শীর্ষ নায়িকাদের একজন হয়ে ওঠেন। তবে অভিনয়জীবনের শুরুর দিকে চেহারা ও শারীরিক গঠন নিয়ে কম কটাক্ষ শুনতে হয়নি তাকে। এক সাক্ষাৎকারে মাধুরী জানিয়েছিলেন, অনেকেই তাকে ‘খুব রোগা’ বলে মন্তব্য করতেন। আবার ওজন বাড়ার পর সমালোচনার ধরনও বদলে যায়। এদিকে দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত ছিল, মাধুরীর জন্য বিয়ের প্রস্তাব গিয়েছিল সুরেশ ওয়াডকরের পরিবারে। কিন্তু তিনি নাকি অভিনেত্রীকে অত্যন্ত রোগা মনে করে সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। সম্প্রতি এই প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে পুরো বিষ
বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিতকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই নানা গুঞ্জন প্রচলিত রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম ছিল জনপ্রিয় গায়ক সুরেশ ওয়াডকরের সঙ্গে তার বিয়ের প্রস্তাব এবং তা নাকচ হওয়ার গল্প। বহু বছর ধরে শোনা গেছে, মাধুরী নাকি খুব বেশি রোগা হওয়ায় তাকে বিয়ে করতে রাজি হননি সুরেশ। তবে সম্প্রতি সেই বহুল আলোচিত গুঞ্জন নিয়ে মুখ খুলেছেন গায়ক নিজেই।
১৯৮৪ সালে ‘অবোধ’ সিনেমার মাধ্যমে অভিনয়জগতে পা রাখেন মাধুরী। ক্যারিয়ারের শুরুতে খুব একটা সাফল্য না পেলেও ১৯৮৮ সালে ‘তেজাব’ সিনেমার মাধ্যমে রাতারাতি তারকাখ্যাতি পান তিনি। এরপর একের পর এক হিট সিনেমা উপহার দিয়ে বলিউডের শীর্ষ নায়িকাদের একজন হয়ে ওঠেন।
তবে অভিনয়জীবনের শুরুর দিকে চেহারা ও শারীরিক গঠন নিয়ে কম কটাক্ষ শুনতে হয়নি তাকে। এক সাক্ষাৎকারে মাধুরী জানিয়েছিলেন, অনেকেই তাকে ‘খুব রোগা’ বলে মন্তব্য করতেন। আবার ওজন বাড়ার পর সমালোচনার ধরনও বদলে যায়।
এদিকে দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত ছিল, মাধুরীর জন্য বিয়ের প্রস্তাব গিয়েছিল সুরেশ ওয়াডকরের পরিবারে। কিন্তু তিনি নাকি অভিনেত্রীকে অত্যন্ত রোগা মনে করে সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। সম্প্রতি এই প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে পুরো বিষয়টিকেই গুজব বলে উড়িয়ে দেন সুরেশ।
গায়কের দাবি, তার কাছে কখনো এমন কোনো বিয়ের প্রস্তাব আসেনি। বরং যে সময়ের কথা বলা হয়, তখন তিনি তার বর্তমান স্ত্রী পদ্মার সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন। পদ্মা ছিলেন তারই ছাত্রী। পরে তাদের বিয়ে হয়।
শুধু তাই নয়, সুরেশের মতে, এই গল্পের সূত্রপাত হয়েছিল অভিনেত্রী অর্চনা পুরান সিংয়ের একটি মন্তব্য থেকে। কোনো এক অনুষ্ঠানে তিনি মজার ছলে এমন একটি গল্প বলেছিলেন, যা পরে সত্য ঘটনা হিসেবে ছড়িয়ে পড়ে।
বিষয়টি নিয়ে হাস্যরসও করেছেন সুরেশ। তিনি বলেন, ‘মাধুরী আমার খুব ভালো বন্ধু। তাকে নিয়ে ভুলভাল কিছু বললে সে আমাকে ছাড়বে না।’

আসলেই কি মরক্কোর ফুটবল তারকার প্রেমে পড়েছেন নোরা

বিশ্বকাপের মঞ্চে বাংলাদেশের পরিচয় তুলে ধরলেন সঞ্জয়
অন্যদিকে, মাধুরীও বরাবরই চেহারা বা ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে সমালোচনাকে গুরুত্ব না দেওয়ার কথা বলেছেন। তার মতে, মানুষ সবসময়ই কিছু না কিছু বলবে। তাই এসব মন্তব্যে প্রভাবিত না হয়ে নিজের কাজের প্রতি মনোযোগী থাকাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অসংখ্য সফল সিনেমা উপহার দেওয়া মাধুরী দীক্ষিত আজও বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় মুখ। আর তাকে ঘিরে বছরের পর বছর ধরে চলা বিয়ে-সংক্রান্ত এই গুঞ্জনের অবসান ঘটালেন খোদ সুরেশ ওয়াডকরই।
এমএমএফ/এমএস
What's Your Reaction?