যে জায়গায় কখনোই স্মার্টফোন চার্জ দেওয়া উচিত নয়

আমাদের অনেকেরই একটি অভ্যাস আছে, ঘরে ফিরে ঘুমাতে যাওয়ার আগে স্মার্টফোনটি বালিশের পাশে রেখে চার্জে দেওয়া। কেউ কেউ তো ফোন চার্জে লাগিয়েই ঘুমিয়ে পড়েন। বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা চলছে, সারারাত ফোন চার্জে রাখা ক্ষতিকর কি না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘমেয়াদে এ অভ্যাস স্মার্টফোনের ব্যাটারির আয়ু কমিয়ে দেয়—এটি প্রায় নিশ্চিত। অনেক সময় দেখা যায়, ফোন চার্জে লাগিয়ে ভিডিও দেখতে দেখতে ঘুমিয়ে পড়েন অনেকে। অথচ বিশেষজ্ঞদের মতে, শোবার ঘরে, বিশেষ করে বালিশের পাশে ফোন চার্জ দেওয়া থেকে বিরত থাকাই নিরাপদ। বালিশের নিচে ফোন রাখলে বিপদ কেন? আধুনিক স্মার্টফোনে তাপ নিয়ন্ত্রণের জন্য নানা প্রযুক্তি ব্যবহার করা হলেও ফোন যদি বালিশের নিচে বা নরম কাপড়ের ওপর রাখা হয়, তাহলে তাপ বের হতে পারে না। এর ওপর যদি ফোন চার্জে লাগানো থাকে, তাহলে ভেতরের তাপ আরও বেড়ে যায়। এতে ফোন অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে। এ কারণেই বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, ফোন চার্জ দেওয়ার সময় এমন জায়গা বেছে নিতে হবে, যেখানে বাতাস চলাচল স্বাভাবিক থাকে এবং তাপ সহজে বেরিয়ে যেতে পারে। যেমন—সমতল টেবিল, কাউন্টার বা শক্ত কোনো পৃ

যে জায়গায় কখনোই স্মার্টফোন চার্জ দেওয়া উচিত নয়
আমাদের অনেকেরই একটি অভ্যাস আছে, ঘরে ফিরে ঘুমাতে যাওয়ার আগে স্মার্টফোনটি বালিশের পাশে রেখে চার্জে দেওয়া। কেউ কেউ তো ফোন চার্জে লাগিয়েই ঘুমিয়ে পড়েন। বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা চলছে, সারারাত ফোন চার্জে রাখা ক্ষতিকর কি না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘমেয়াদে এ অভ্যাস স্মার্টফোনের ব্যাটারির আয়ু কমিয়ে দেয়—এটি প্রায় নিশ্চিত। অনেক সময় দেখা যায়, ফোন চার্জে লাগিয়ে ভিডিও দেখতে দেখতে ঘুমিয়ে পড়েন অনেকে। অথচ বিশেষজ্ঞদের মতে, শোবার ঘরে, বিশেষ করে বালিশের পাশে ফোন চার্জ দেওয়া থেকে বিরত থাকাই নিরাপদ। বালিশের নিচে ফোন রাখলে বিপদ কেন? আধুনিক স্মার্টফোনে তাপ নিয়ন্ত্রণের জন্য নানা প্রযুক্তি ব্যবহার করা হলেও ফোন যদি বালিশের নিচে বা নরম কাপড়ের ওপর রাখা হয়, তাহলে তাপ বের হতে পারে না। এর ওপর যদি ফোন চার্জে লাগানো থাকে, তাহলে ভেতরের তাপ আরও বেড়ে যায়। এতে ফোন অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে। এ কারণেই বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, ফোন চার্জ দেওয়ার সময় এমন জায়গা বেছে নিতে হবে, যেখানে বাতাস চলাচল স্বাভাবিক থাকে এবং তাপ সহজে বেরিয়ে যেতে পারে। যেমন—সমতল টেবিল, কাউন্টার বা শক্ত কোনো পৃষ্ঠ, যেখানে ডিভাইসের চারপাশে ঠান্ডা বাতাস পৌঁছাতে পারে। শোবার ঘরে ফোন রাখার আরও ক্ষতিকর দিক বিষয়টি শুধু নিরাপত্তার ঝুঁকিতেই সীমাবদ্ধ নয়। বিজ্ঞানীদের মতে, শোবার ঘরে ফোন কাছাকাছি থাকলে ঘুমের মানও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে। ফোনে থাকা অ্যাপ, গেম কিংবা বন্ধুবান্ধবের বার্তা মনোযোগ বারবার অন্যদিকে টেনে নেয়। ফলে মস্তিষ্ক ঠিকভাবে বুঝে উঠতে পারে না যে, এখন ঘুমানোর সময় নাকি জেগে থাকার। এর প্রভাব পড়ে ঘুমের গভীরতা ও মানের ওপর। বিশেষ করে ফোন যদি বালিশের পাশেই থাকে, তাহলে ঘুমানোর আগে সেটি ব্যবহার এড়িয়ে চলা অনেকের পক্ষেই কঠিন হয়ে পড়ে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ঘুমের ঠিক আগে স্মার্টফোন থেকে নির্গত নীল আলোতে দীর্ঘ সময় থাকলে ঘুম আসতে দেরি হয় এবং ঘুমের স্বাভাবিক চক্র ব্যাহত হয়। তাই বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, ঘুমানোর কিছুক্ষণ আগে সব ধরনের স্ক্রিন ব্যবহার বন্ধ রাখা সবচেয়ে ভালো। সূত্র : জিও নিউজ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow