যে বড় বাধার কারণে ইরানে হামলা চালাতে পারছে না যুক্তরাষ্ট্র

ইরানে সামরিক হামলা চালানো থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে ঠেকাতে চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে কয়েকটি আরব দেশ। এ উদ্যোগে সৌদি আরবের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে কাতার ও ওমান। যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী দৈনিক দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট মনিটরের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের সঙ্গে যে কোনো বড় ধরনের সামরিক সংঘাত সৌদি আরবের অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে- এ শঙ্কা থেকেই রিয়াদ এই কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করেছে। পাশাপাশি, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেয়িকে লক্ষ্য করে কোনো হামলা হলে তা সৌদি আরবের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিতেও নেতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করতে পারে বলে উদ্বিগ্ন দেশটি। উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর পক্ষ থেকে এমন বড় ধরনের বাধার পেছনে আরেকটি উদ্বেগ হলো গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীকে সচল রাখা। ইরান ও আরব দেশগুলোর মধ্যবর্তী এই সংকীর্ণ জলপথ দিয়ে বিশ্বব্যাপী মোট জ্বালানি তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়। ইরানে হামলা হলে তেলবাহী জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে মারাত্মক অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সম্প্রত

যে বড় বাধার কারণে ইরানে হামলা চালাতে পারছে না যুক্তরাষ্ট্র

ইরানে সামরিক হামলা চালানো থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে ঠেকাতে চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে কয়েকটি আরব দেশ। এ উদ্যোগে সৌদি আরবের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে কাতার ও ওমান। যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী দৈনিক দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট মনিটরের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের সঙ্গে যে কোনো বড় ধরনের সামরিক সংঘাত সৌদি আরবের অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে- এ শঙ্কা থেকেই রিয়াদ এই কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করেছে। পাশাপাশি, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেয়িকে লক্ষ্য করে কোনো হামলা হলে তা সৌদি আরবের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিতেও নেতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করতে পারে বলে উদ্বিগ্ন দেশটি।

উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর পক্ষ থেকে এমন বড় ধরনের বাধার পেছনে আরেকটি উদ্বেগ হলো গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীকে সচল রাখা। ইরান ও আরব দেশগুলোর মধ্যবর্তী এই সংকীর্ণ জলপথ দিয়ে বিশ্বব্যাপী মোট জ্বালানি তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়। ইরানে হামলা হলে তেলবাহী জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে মারাত্মক অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র তার উপসাগরীয় মিত্রদের ইরান ইস্যুতে সম্ভাব্য উত্তেজনার জন্য প্রস্তুত থাকতে সতর্ক করেছে। এই সতর্কবার্তাই উপসাগরীয় রাজধানীগুলোতে গভীর উদ্বেগ তৈরি করেছে। দেশগুলো আশঙ্কা করছে-এ ধরনের সংঘাত জ্বালানি নিরাপত্তা, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর স্থিতিশীলতা এবং নিজ নিজ ভূখণ্ডে এর প্রভাব নিয়ে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানায়, সৌদি আরব, কাতার ও ওমান স্পষ্টভাবে হোয়াইট হাউসকে জানিয়েছে-ইরানের রাজনৈতিক ব্যবস্থা উচ্ছেদের কোনো চেষ্টা হলে জ্বালানি তেলের বাজার অস্থিতিশীল হয়ে পড়বে, যার নেতিবাচক প্রভাব শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতেও পড়বে।

সুত্র: মিডল ইস্ট মনিটর।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow