যে সিনেমাটি ৮ বার দেখেছেন তারেক রহমান

দীর্ঘ দেড় যুগের নির্বাসন শেষে দেশে ফিরে নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যস্ত রয়েছেন তারেক রহমান। নির্বাচনী এ ডামাঢোলের মাঝে বাংলাদেশের রাজনীতির অন্যতম মধ্যবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন তিনি। তাকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রভাবশালী সাময়িকী টাইম ম্যাগাজিন বুধবার (২৮ জানুয়ারি) একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সেখানে তাকে আখ্যা দেওয়া হয়েছে ‘Bangladesh’s Prodigal Son’ বা ‘বাংলাদেশের প্রত্যাবর্তিত সন্তান’ হিসেবে। প্রতিবেদনটিতে এক পর্যায়ে তারেক রহমান তার পছন্দের একটি সিনেমার একটি উক্তি ব্যবহার করে নিজের অবস্থান ও দৃষ্টিভঙ্গির জানান দিয়েছেন। সেটি হ্যারিসন ফোর্ড অভিনীত সিনেমা ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’। তিনি জানান এই ছবিটি তার খুব প্রিয়। মোট ৮ বার তিনি সিনেমাটি দেখেছেন বলেও জানিয়েছেন টাইম ম্যাগাজিনকে।তিনি বলেন, ‘আমি সম্ভবত আটবার এটি দেখেছি!’ প্রতিবেদনের এক পর্যায়ে উল্লেখ করা হয়, তারেক রহমান মৃদুভাষী এবং অন্তর্মুখী বলে মনে হয়। তর্কে না গিয়ে শুনতেই বেশি পছন্দ করেন। লন্ডনে তার প্রিয় বিনোদন ছিল রিচমন্ড পার্কে ঘুরে বেড়ানো, চিন্তায় ডুবে থাকা, অথবা ইতিহাসের বই পড়া। এতে আরো বলা হয়, তারেক রহমানকে একজন নীতিনির্ধারক হিসেবে

যে সিনেমাটি ৮ বার দেখেছেন তারেক রহমান

দীর্ঘ দেড় যুগের নির্বাসন শেষে দেশে ফিরে নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যস্ত রয়েছেন তারেক রহমান। নির্বাচনী এ ডামাঢোলের মাঝে বাংলাদেশের রাজনীতির অন্যতম মধ্যবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন তিনি। তাকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রভাবশালী সাময়িকী টাইম ম্যাগাজিন বুধবার (২৮ জানুয়ারি) একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

সেখানে তাকে আখ্যা দেওয়া হয়েছে ‘Bangladesh’s Prodigal Son’ বা ‘বাংলাদেশের প্রত্যাবর্তিত সন্তান’ হিসেবে।

প্রতিবেদনটিতে এক পর্যায়ে তারেক রহমান তার পছন্দের একটি সিনেমার একটি উক্তি ব্যবহার করে নিজের অবস্থান ও দৃষ্টিভঙ্গির জানান দিয়েছেন। সেটি হ্যারিসন ফোর্ড অভিনীত সিনেমা ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’। তিনি জানান এই ছবিটি তার খুব প্রিয়। মোট ৮ বার তিনি সিনেমাটি দেখেছেন বলেও জানিয়েছেন টাইম ম্যাগাজিনকে।

তিনি বলেন, ‘আমি সম্ভবত আটবার এটি দেখেছি!’

প্রতিবেদনের এক পর্যায়ে উল্লেখ করা হয়, তারেক রহমান মৃদুভাষী এবং অন্তর্মুখী বলে মনে হয়। তর্কে না গিয়ে শুনতেই বেশি পছন্দ করেন। লন্ডনে তার প্রিয় বিনোদন ছিল রিচমন্ড পার্কে ঘুরে বেড়ানো, চিন্তায় ডুবে থাকা, অথবা ইতিহাসের বই পড়া।

এতে আরো বলা হয়, তারেক রহমানকে একজন নীতিনির্ধারক হিসেবে দেখা হয় যিনি যেকোনো বিষয়ে তথ্য এবং পরিসংখ্যান সংগ্রহ করতে পারেন। তিনি ১২,০০০ মাইল খাল খনন করতে চান জলস্তর পূরণ করতে, ভূমির অবক্ষয় রোধে বছরে ৫ কোটি গাছ লাগাতে এবং ধোঁয়ায় ঢাকা রাজধানীকে শ্বাস নিতে সাহায্য করার জন্য ৫০টি নতুন সবুজ স্থান বপন করতে।

আবর্জনা পোড়ানো বিদ্যুৎ জেনারেটর স্থাপন, অভিবাসী শ্রমিকদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য কারিগরি কলেজ পুনর্নির্মাণ এবং চাপা রাজ্য স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে উপশম করতে বেসরকারি হাসপাতালের সঙ্গে অংশীদারিত্বের পরিকল্পনা রয়েছে তার।

আরেকটি অংশে উল্লেখ করা হয়, তারেক রহমানের কোনো অভিযোগ নেই। তিনি মনে করেন, তার প্রত্যাবর্তন কারো ইচ্ছার ওপর নির্ভর করে হয়নি । বরং জনগণের ভাগ্য উন্নত করার দৃঢ় সংকল্পের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েই তিনি দেশে ফিরেছেন।

সেখানে তিনি স্পাইডার-ম্যান ছবির ‘মহান শক্তির সাথে মহান দায়িত্ব আসে’ উক্তিও ব্যবহার করেন। তারেক বলেন, ‘আমি এই কথাটা খুব বিশ্বাস করি।’

 

এমআই/এলআইএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow