যে ৩ ব্যক্তির নামাজ আল্লাহ কবুল করেন না

প্রত্যেক মুসলমানের (উপযুক্ত ব্যক্তি) ওপর নামাজ ফরজ। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা নির্দেশ দিয়ে বলেন, ‘আর তোমরা আমার স্মরণোদ্দেশ্যে নামাজ কায়েম করো।’ (সুরা ত্বহা : ১৪) অন্য আয়াতে ইরশাদ হয়েছে, ‘তুমি সূর্য হেলার সময় থেকে রাতের অন্ধকার পর্যন্ত নামাজ কায়েম কর এবং ফজরের নামাজ (কায়েম কর)। নিশ্চয়ই ফজরের নামাজে সমাবেশ ঘটে।’ (সুরা বনি ইসরাঈল : ৭৮) রাব্বুল আলামিন আরও বলছেন, ‘নিশ্চয়ই নামাজ অশ্লীলতা ও মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখে।’ (সুরা আনকাবুত : ৪৫) হাদিসেও একাধিকবার নামাজ আদায়ের কথা এসেছে। সেই সঙ্গে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে ওয়াক্তমতো নামাজ আদায়ের ওপরও। হজরত আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রা.) বর্ণনা করেন, আমি রাসুল (সা.) কে জিজ্ঞাসা করলাম, কোন আমল আল্লাহর নিকট অধিক প্রিয়? জবাবে নবীজি (সা.) বললেন, যথাসময়ে সালাত আদায় করা। ইবনু মাসঊদ (রা.) পুনরায় জিজ্ঞাসা করলেন, এরপর কোনটি? তিনি বললেন, এরপর পিতা-মাতার প্রতি সদ্ব্যবহার। ইবনু মাসঊদ (রা.) আবার জিজ্ঞাসা করলেন, এরপর কোনটি? রাসুল (সা.) বললেন, এরপর আল্লাহর পথে জিহাদ বা জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহ্। (বোখারি : ৫০২) এজন্য পরকালে সফল হতে মহান রবের হুকুম পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায়ের পাশ

যে ৩ ব্যক্তির নামাজ আল্লাহ কবুল করেন না
প্রত্যেক মুসলমানের (উপযুক্ত ব্যক্তি) ওপর নামাজ ফরজ। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা নির্দেশ দিয়ে বলেন, ‘আর তোমরা আমার স্মরণোদ্দেশ্যে নামাজ কায়েম করো।’ (সুরা ত্বহা : ১৪) অন্য আয়াতে ইরশাদ হয়েছে, ‘তুমি সূর্য হেলার সময় থেকে রাতের অন্ধকার পর্যন্ত নামাজ কায়েম কর এবং ফজরের নামাজ (কায়েম কর)। নিশ্চয়ই ফজরের নামাজে সমাবেশ ঘটে।’ (সুরা বনি ইসরাঈল : ৭৮) রাব্বুল আলামিন আরও বলছেন, ‘নিশ্চয়ই নামাজ অশ্লীলতা ও মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখে।’ (সুরা আনকাবুত : ৪৫) হাদিসেও একাধিকবার নামাজ আদায়ের কথা এসেছে। সেই সঙ্গে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে ওয়াক্তমতো নামাজ আদায়ের ওপরও। হজরত আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রা.) বর্ণনা করেন, আমি রাসুল (সা.) কে জিজ্ঞাসা করলাম, কোন আমল আল্লাহর নিকট অধিক প্রিয়? জবাবে নবীজি (সা.) বললেন, যথাসময়ে সালাত আদায় করা। ইবনু মাসঊদ (রা.) পুনরায় জিজ্ঞাসা করলেন, এরপর কোনটি? তিনি বললেন, এরপর পিতা-মাতার প্রতি সদ্ব্যবহার। ইবনু মাসঊদ (রা.) আবার জিজ্ঞাসা করলেন, এরপর কোনটি? রাসুল (সা.) বললেন, এরপর আল্লাহর পথে জিহাদ বা জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহ্। (বোখারি : ৫০২) এজন্য পরকালে সফল হতে মহান রবের হুকুম পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায়ের পাশাপাশি অন্যান্য সব নির্দেশ এবং রাসুল (সা.) এর দেখানো তরিকা অনুযায়ী আমল করতে হবে। তাহলেই পরকালে মিলবে কাঙ্ক্ষিত জান্নাত। তবে ৩ ধরনের ব্যক্তি আছেন, যাদের নামাজ মহান বাব্বুল আলামিনের দরবারে কবুল হয় না। হজরত আবু উমামা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে এসেছে, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, ৩ ব্যক্তি এমন যাদের সালাত বা নামাজ তাদের কানও অতিক্রম করে না (কবুল হয় না)— ১. পলাতক গোলাম, যতক্ষণ না (মালিকের কাছে) ফিরে আসে। ২. এমন নারী যে তার স্বামীর অসন্তুষ্টিতে রাত্রিযাপন করে।  ৩. এমন ইমাম যাকে মুসল্লিরা অপছন্দ করে। (তিরমিজি : ৩৬০)

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow