রংপুরের বাজার দর: ব্রয়লারে স্বস্তি, সবজিতে ওঠানামা

রংপুরে সপ্তাহের ব্যবধানে কমেছে ব্রয়লার মুরগির দাম। সেইসঙ্গে কিছু সবজির দাম ওঠানামা করলেও অপরিবর্তিত রয়েছে অধিকাংশ সবজি। এছাড়া পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ, আলুসহ চাল-ডাল ও মাছ-মাংসের দামও অপরিবর্তিত রয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগি ১৬০-১৭০ টাকা থেকে কমে ১৫০-১৬০ টাকা, পাকিস্তানি সোনালি মুরগি গত সপ্তাহের মতোই ৩২০-৩৩০ টাকা, পাকিস্তানি হাইব্রিড জাতের মুরগি ২৮০-৩০০ টাকা, পাকিস্তানি লেয়ার ৩৩০-৩৪০ টাকা এবং দেশি মুরগির দাম কিছুটা কমে ৫৮০-৬০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বাজারে পোলট্রি মুরগির লাল ডিমের হালি গত সপ্তাহের মতোই বিক্রি হচ্ছে ৩৮-৪০ টাকা। বাজারে গরুর মাংস অপরিবর্তিত ৭২০-৭৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১০০০-১১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মুলাটোল আমতলা বাজারের মুরগি বিক্রেতা আল আমিন বলেন, `ব্রয়লার মুরগির দাম গত সপ্তাহের তুলনায় সামান্য কমলেও অন্য মুরগির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।‘ সবজি বাজার ঘুরে দেখা যায়, টমেটো ১০০-১২০ টাকা থেকে বেড়ে ১২০-১৪০ টাকা, গাজর ১৫০-১৬০ টাকা থেকে বেড়ে ২০০-২৪০, কাঁকরোল ৪০-৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৫০-৬০ টাকা, ঝিংগা গত সপ্তাহের ম

রংপুরের বাজার দর: ব্রয়লারে স্বস্তি, সবজিতে ওঠানামা

রংপুরে সপ্তাহের ব্যবধানে কমেছে ব্রয়লার মুরগির দাম। সেইসঙ্গে কিছু সবজির দাম ওঠানামা করলেও অপরিবর্তিত রয়েছে অধিকাংশ সবজি।

এছাড়া পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ, আলুসহ চাল-ডাল ও মাছ-মাংসের দামও অপরিবর্তিত রয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগি ১৬০-১৭০ টাকা থেকে কমে ১৫০-১৬০ টাকা, পাকিস্তানি সোনালি মুরগি গত সপ্তাহের মতোই ৩২০-৩৩০ টাকা, পাকিস্তানি হাইব্রিড জাতের মুরগি ২৮০-৩০০ টাকা, পাকিস্তানি লেয়ার ৩৩০-৩৪০ টাকা এবং দেশি মুরগির দাম কিছুটা কমে ৫৮০-৬০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

খুচরা বাজারে পোলট্রি মুরগির লাল ডিমের হালি গত সপ্তাহের মতোই বিক্রি হচ্ছে ৩৮-৪০ টাকা।

বাজারে গরুর মাংস অপরিবর্তিত ৭২০-৭৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১০০০-১১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মুলাটোল আমতলা বাজারের মুরগি বিক্রেতা আল আমিন বলেন, `ব্রয়লার মুরগির দাম গত সপ্তাহের তুলনায় সামান্য কমলেও অন্য মুরগির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।‘

সবজি বাজার ঘুরে দেখা যায়, টমেটো ১০০-১২০ টাকা থেকে বেড়ে ১২০-১৪০ টাকা, গাজর ১৫০-১৬০ টাকা থেকে বেড়ে ২০০-২৪০, কাঁকরোল ৪০-৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৫০-৬০ টাকা, ঝিংগা গত সপ্তাহের মতোই ৩৫-৪০ টাকা, চালকুমড়া প্রতিপিস (আকারভেদে) দাম কমে ২৫-৩০ টাকা, কাঁচকলার হালি ২৫-৩০ টাকা থেকে বেড়ে ৩০-৩৫ টাকা, দুধকুষি ৩৫-৪০ টাকা থেকে বেড়ে ৪০-৫০ টাকা, সজনে ১৪০-১৬০ টাকা থেকে বেড়ে ১৬০-১৮০ টাকা, শসা গত সপ্তাহের মতোই ৩০-৪০ টাকা, লেবুর হালি ১০-১৫ টাকা, চিকন বেগুন ৪০-৫০ টাকা, গোল বেগুন ৫০-৬০ টাকা, পটল ৩০-৪০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ২৫-৩০ টাকা থেকে বেড়ে ৩০-৪০ টাকা, পেঁপে ৪৫-৫০ টাকা থেকে কমে ৩০-৪০ টাকা, বরবটি গত সপ্তাহের মতোই ৪০-৫০ টাকা, করলা ৪০-৫০ টাকা, লাউ (আকারভেদে) ৩০-৪০ টাকা, কচুর লতি গত সপ্তাহের মতোই ৪০-৫০ টাকা, কচুরমুখী ৫০-৬০ টাকা, প্রতিকেজি ধনেপাতা ১৮০-২০০ টাকা থেকে কমে ১৩০-১৫০ টাকা, সব ধরনের শাকের আঁটি ১০ থেকে ২৫ টাকা, মিষ্টিকুমড়া গত সপ্তাহের মতোই ৩৫-৪০ টাকা, শুকনো মরিচ আগের মতোই ৩৫০-৪০০ টাকা, কার্ডিনাল আলু গত সপ্তাহের মতোই ১৮-২০ টাকা, সাদা আলু ৩০-৩৫ টাকা, বগুড়ার লাল পাকড়ি আলু ৩০-৩৫, শিল আলু ৪৫-৫০ টাকা এবং ঝাউ আলু ৪৫-৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

খুচরা বাজারে প্রতিকেজি কাঁচামরিচের আগের মতো ৪০-৫০ টাকা, পেঁয়াজ ৩৫-৪০ টাকা, দেশি আদা গত সপ্তাহের মতোই ১৬০-১৮০ টাকা, আমদানি করা আদা ১২০-১৪০ টাকা, দেশি রসুন আগের মতো ১০০-১২০ টাকা এবং ভারতীয় রসুন ২০০-২২০ কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মুলাটোল বাজারের সবজি বিক্রেতা আব্দুল মজিদ ভুট্টু বলেন, সপ্তাহের ব্যবধানে কিছু সবজির দাম কমলেও অনেক সবজি অপরিবর্তিত রয়েছে। মূলত যে সব সবজির ফলন নেই ও আমদানি করা হয় সেসব সবজির দাম অনেক বেশি। যেমন-সজনে, গাজর ও টমেটো। এছাড়া অধিকাংশ সবজির দাম প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে।

এদিকে, খুচরা বাজারে এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ২০৫-২১০ টাকা এবং খোলা সয়াবিন তেল ২০০-২২০ টাকা, মসুর ডাল (চিকন) গত সপ্তাহের মতোই ১৭০-১৮০ টাকা, মাঝারি ১০০-১১০ টাকা, মুগডাল ১৫০-১৬০ টাকা, বুটের ডাল ১১০-১২০ টাকা, খোলা চিনি ১০৫-১১০ টাকা, ছোলাবুট ৯০-১০০ টাকা, প্যাকেট আটা ৫৫-৬০ টাকা, খোলা আটা ৪০-৪৫ টাকা এবং ময়দা ৬৫-৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

চালের বাজার ঘুরে দেখা যায়, গত সপ্তাহের মতোই স্বর্ণা (মোটা) ৪৮-৫০ টাকা, স্বর্ণা (চিকন) ৫৫-৬০ টাকা, বিআর২৮- ৬৫-৭০ টাকা, বিআর২৯- ৬০-৬৫ টাকা, জিরাশাইল ৬০-৬৫ টাকা, মিনিকেট ৮৫-৯০ এবং নাজিরশাইল ৮৫-৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, আকারভেদে রুইমাছ ৩০০-৩৮০ টাকা, টেংরা ৪০০-৫৬০, পাবদা ৩৫০-৪০০ টাকা, মৃগেল ২২০-২৫০ টাকা, কারপু ২৫০-২৬০ টাকা, পাঙাস ১৫০-২৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০-২৫০, কাতল ৩০০-৫০০ টাকা, বাটা ১৮০-২৪০ টাকা, শিং ৩০০-৪০০ টাকা, সিলভার কার্প ১৮০-২৬০ টাকা এবং গছিমাছ ৮০০-১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

জিতু কবীর/এফএ/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow