রংপুরে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম, ডিসি-ইউএনও প্রত্যাহারের দাবি
সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রংপুর-৪ আসনের ফলাফল পুনঃগণনার দাবিতে রংপুরের পীরগাছায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে পীরগাছা বাজারে বিক্ষোভ মিছিল শেষে উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিবাদ সভায় বক্তারা অভিযোগ করেন, রংপুর-৪ আসনে নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়ম ও কারচুপি হয়েছে। তাদের দাবি, বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োগে পক্ষপাতিত্ব করা হয়েছে এবং ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর এজেন্টদের নানা অজুহাতে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। ভোটগ্রহণ চলাকালে বিভিন্ন কেন্দ্রে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি ও অনিয়মের ঘটনা ঘটেছে বলেও তারা অভিযোগ করেন। বক্তারা আরও বলেন, প্রায় ৮ হাজার ২৬৩টি ভোট বাতিল দেখানো হয়েছে, যা নিয়ে তাদের গুরুতর সন্দেহ রয়েছে। এ বিষয়ে অভিযোগ জানাতে বিএনপির প্রার্থী রংপুরের জেলা প্রশাসকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার চেষ্টা করলেও তিনি সাক্ষাৎ দেননি বলেও দাবি করা হয়। সভায় নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ভোট পুনঃগণনার ব্যবস্থা না নেওয়া হলে কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হ
সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রংপুর-৪ আসনের ফলাফল পুনঃগণনার দাবিতে রংপুরের পীরগাছায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে পীরগাছা বাজারে বিক্ষোভ মিছিল শেষে উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিবাদ সভায় বক্তারা অভিযোগ করেন, রংপুর-৪ আসনে নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়ম ও কারচুপি হয়েছে। তাদের দাবি, বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োগে পক্ষপাতিত্ব করা হয়েছে এবং ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর এজেন্টদের নানা অজুহাতে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। ভোটগ্রহণ চলাকালে বিভিন্ন কেন্দ্রে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি ও অনিয়মের ঘটনা ঘটেছে বলেও তারা অভিযোগ করেন।
বক্তারা আরও বলেন, প্রায় ৮ হাজার ২৬৩টি ভোট বাতিল দেখানো হয়েছে, যা নিয়ে তাদের গুরুতর সন্দেহ রয়েছে। এ বিষয়ে অভিযোগ জানাতে বিএনপির প্রার্থী রংপুরের জেলা প্রশাসকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার চেষ্টা করলেও তিনি সাক্ষাৎ দেননি বলেও দাবি করা হয়।
সভায় নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ভোট পুনঃগণনার ব্যবস্থা না নেওয়া হলে কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। একই সঙ্গে অবিলম্বে রংপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও সংশ্লিষ্ট ইউএনওকে প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়।
উল্লেখ্য, এই আসনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট সমর্থিত জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি’র সদস্য সচিব আখতার হোসেন শাপলা কলি প্রতীকে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৯৬৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীকে ৯ হাজার ৪০২ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন তিনি। বিএনপি প্রার্থী এমদাদুল হক ভরসা পেয়েছেন ১ লাখ ৪০ হাজর ৫৬৪ ভোট। এই আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী আবু নাসের শাহ মো. মাহবুবার রহমান পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৬৬৪ ভোট।
পীরগাছা ও কাউনিয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ৯ হাজার ৯০৬ জন। দুই উপজেলার ১৬৩টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
এসব কেন্দ্রে সর্বমোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ৩ লাখ ৩৮ হাজার ৩১৪। এর মধ্যে বৈধ ৩ লাখ ৩০ হাজার ৫১ ভোট ও বাতিলকৃত ভোট ৮ হাজার ২৬৩। প্রদত্ত ভোটের হার ৬৬.৩৫।
What's Your Reaction?