রমজানে ঋতুস্রাব বন্ধ রাখলে কি রোজা শুদ্ধ হবে?

প্রশ্ন: রমজান মাসে কোনো নারী যদি ওষুধ সেবন করে ঋতুস্রাব বন্ধ রাখে, তাহলে ঋতুস্রাবের নির্দিষ্ট দিনগুলোতে কি তার রোজা শুদ্ধ হবে? ওষুধ খেয়ে ঋতুস্রাব বন্ধ রাখার বিধান কী? উত্তর: ঋতুস্রাবের সময় রোজা রাখা নিষিদ্ধ। ঋতুস্রাবের সময় ফরজ রোজা ছুটে গেলে তা পরবর্তীতে কাজা করতে হয়। রমজান মাসে কারো ঋতুস্রাব হলে যে কয়দিন সে ঋতুস্রাব থাকবে, ওই কয়দিন রোজা থেকে বিরত থাকতে হবে এবং ওই রোজাগুলো পরে কাজা করে নিতে হবে। তবে কোনো নারী যদি রমজান মাসে ওষুধ খেয়ে মাসিক বন্ধ রাখে, তাহলে মাসিকের নির্দিষ্ট দিনগুলোতে রোজা রাখতে হবে এবং ওই রোজাগুলো বিশুদ্ধ হবে, ত্রুটিপূর্ণ হবে না। ঋতুস্রাব বন্ধ রাখার জন্য ওষুধ খাওয়া জায়েজ হওয়ার শর্ত হলো, চিকিৎসকরা নিশ্চিত করবেন যে এসব ওষুধ গ্রহণের ফলে কোনো তাৎক্ষণিক বা দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি হবে না। যদি এতে ক্ষতির আশঙ্কা থাকে, তবে তা গ্রহণ করা জায়েজ হবে না। কারণ ইসলামি শরিয়তে অন্যের ক্ষতি করা যেমন নাজায়েজ, নিজের ক্ষতি করাও নাজায়েজ। ইসলামে স্বাস্থ্য রক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। ইসলাম ঋতুস্রাবকে নারীদের ত্রুটি বিবেচনা করে না এবং ঋতুস্রাবের কারণে রোজা না রাখতে পারলে গুনাহ হবে না বা র

রমজানে ঋতুস্রাব বন্ধ রাখলে কি রোজা শুদ্ধ হবে?

প্রশ্ন: রমজান মাসে কোনো নারী যদি ওষুধ সেবন করে ঋতুস্রাব বন্ধ রাখে, তাহলে ঋতুস্রাবের নির্দিষ্ট দিনগুলোতে কি তার রোজা শুদ্ধ হবে? ওষুধ খেয়ে ঋতুস্রাব বন্ধ রাখার বিধান কী?

উত্তর: ঋতুস্রাবের সময় রোজা রাখা নিষিদ্ধ। ঋতুস্রাবের সময় ফরজ রোজা ছুটে গেলে তা পরবর্তীতে কাজা করতে হয়। রমজান মাসে কারো ঋতুস্রাব হলে যে কয়দিন সে ঋতুস্রাব থাকবে, ওই কয়দিন রোজা থেকে বিরত থাকতে হবে এবং ওই রোজাগুলো পরে কাজা করে নিতে হবে।

তবে কোনো নারী যদি রমজান মাসে ওষুধ খেয়ে মাসিক বন্ধ রাখে, তাহলে মাসিকের নির্দিষ্ট দিনগুলোতে রোজা রাখতে হবে এবং ওই রোজাগুলো বিশুদ্ধ হবে, ত্রুটিপূর্ণ হবে না।

ঋতুস্রাব বন্ধ রাখার জন্য ওষুধ খাওয়া জায়েজ হওয়ার শর্ত হলো, চিকিৎসকরা নিশ্চিত করবেন যে এসব ওষুধ গ্রহণের ফলে কোনো তাৎক্ষণিক বা দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি হবে না। যদি এতে ক্ষতির আশঙ্কা থাকে, তবে তা গ্রহণ করা জায়েজ হবে না। কারণ ইসলামি শরিয়তে অন্যের ক্ষতি করা যেমন নাজায়েজ, নিজের ক্ষতি করাও নাজায়েজ। ইসলামে স্বাস্থ্য রক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।

ইসলাম ঋতুস্রাবকে নারীদের ত্রুটি বিবেচনা করে না এবং ঋতুস্রাবের কারণে রোজা না রাখতে পারলে গুনাহ হবে না বা রমজান পালনের সওয়াবও কমবে না। তাই ক্ষতিকর না হলে ঋতুস্রাব বন্ধ রাখার জন্য ওষুধ গ্রহণ করা যদিও জায়েজ, তথাপি একজন মুসলমান নারীর জন্য আল্লাহ তাআলার নির্ধারণ মেনে নেওয়া, ঋতুস্রাব স্বাভাবিক রাখা এবং এ সময়ে রোজা ভাঙাই বেশি ফজিলতপূর্ণ ও সওয়াবের কাজ।

ওএফএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow