রমজান ঘিরে সুখবর; গরুর মাংস-মুরগি-ডিম ও দুধের দাম কমাল সরকার

পবিত্র রমজান মাসে ভোক্তাদের স্বস্তি দিতে ন্যায্যমূল্যে গরুর মাংস বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ সময় প্রতি কেজি গরুর মাংস ৬৫০ টাকায় বিক্রি করা হবে। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত রমজানকেন্দ্রিক ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রি সংক্রান্ত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই সঙ্গে সাশ্রয়ী দামে প্রক্রিয়াজাত মুরগির মাংস, দুধ ও ডিম বিক্রির ঘোষণাও দেওয়া হয়। সভায় জানানো হয়, রমজান মাসে প্রতি কেজি প্রক্রিয়াজাত মুরগির মাংস ২৫০ টাকা, প্রতি লিটার দুধ ৮০ টাকা এবং প্রতিটি ডিম ৮ টাকায় বিক্রি করা হবে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার জানান, গত বছরের তুলনায় এবার ন্যায্যমূল্যের পণ্য বিক্রির পরিসর বাড়ানো হচ্ছে। তার নির্দেশনায় রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মোট ৪৮টি বিক্রয়কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবু সুফিয়ান বলেন, রমজান মাসে রোজাদারদের ভোগান্তি লাঘবে প্রতিবছরের মতো এবারও সরকার ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রির ব্যবস্থা করেছে। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সরবরাহকারী ও অংশীজনদের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সমন্বয় ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। ত

রমজান ঘিরে সুখবর; গরুর মাংস-মুরগি-ডিম ও দুধের দাম কমাল সরকার

পবিত্র রমজান মাসে ভোক্তাদের স্বস্তি দিতে ন্যায্যমূল্যে গরুর মাংস বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ সময় প্রতি কেজি গরুর মাংস ৬৫০ টাকায় বিক্রি করা হবে।

রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত রমজানকেন্দ্রিক ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রি সংক্রান্ত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই সঙ্গে সাশ্রয়ী দামে প্রক্রিয়াজাত মুরগির মাংস, দুধ ও ডিম বিক্রির ঘোষণাও দেওয়া হয়।

সভায় জানানো হয়, রমজান মাসে প্রতি কেজি প্রক্রিয়াজাত মুরগির মাংস ২৫০ টাকা, প্রতি লিটার দুধ ৮০ টাকা এবং প্রতিটি ডিম ৮ টাকায় বিক্রি করা হবে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার জানান, গত বছরের তুলনায় এবার ন্যায্যমূল্যের পণ্য বিক্রির পরিসর বাড়ানো হচ্ছে। তার নির্দেশনায় রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মোট ৪৮টি বিক্রয়কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবু সুফিয়ান বলেন, রমজান মাসে রোজাদারদের ভোগান্তি লাঘবে প্রতিবছরের মতো এবারও সরকার ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রির ব্যবস্থা করেছে। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সরবরাহকারী ও অংশীজনদের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সমন্বয় ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

তিনি আরও জানান, চলতি বছর গত বছরের তুলনায় আরও বেশি সংখ্যক স্থানে এসব পণ্য বিক্রি নিশ্চিত করা হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow