রমনা পার্কে বর্ষবরণের বর্ণিল আয়োজন
রাজধানীর রমনা পার্কে চলছে বর্ষবরণের বর্ণিল আয়োজন। অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন দূরদূরান্ত থেকে আসা নানা বয়সী হাজারো মানুষ। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে দেখা যায়, বৈশাখের প্রথম দিনে পার্কে জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস), পরিবাগ তরুণ সংঘ ও দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদের উদ্যোগে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনা চলছে। প্রচণ্ড রোদ উপেক্ষা করে দর্শনার্থীরা তা উপভোগ করছেন। কাকরাইল মসজিদ ও শাহবাগের টেনিস কমপ্লেক্স-সংলগ্ন ফটক দিয়ে পার্কে প্রবেশ করছেন দর্শনার্থীরা। প্রবেশমুখ দুটিতে মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে তাদের তল্লাশি করছে পুলিশ। এছাড়া পার্কের ভেতরে আছে প্রয়োজনীয় সংখ্যক পুলিশ সদস্য। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সুসজ্জিত অশ্বারোহী দলকে টহল দিতেও দেখা গেছে। রমনা পার্কের জারুল চত্বরে জাসাস আয়োজিত বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করেন নতুন কুঁড়ির শিল্পীরা। এছাড়া অন্য শিল্পীরাও গান গেয়েছেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘ঐক্যবদ্ধভাবে শান্তির বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। নববর্ষের এদিনে সারা শহর আনন্দে ভাসছে।’ অনেকেই পার্কের বিভিন্ন স্থানে ছবি তুলেছেন প্রিয়জনদের সঙ্গে।
রাজধানীর রমনা পার্কে চলছে বর্ষবরণের বর্ণিল আয়োজন। অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন দূরদূরান্ত থেকে আসা নানা বয়সী হাজারো মানুষ।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে দেখা যায়, বৈশাখের প্রথম দিনে পার্কে জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস), পরিবাগ তরুণ সংঘ ও দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদের উদ্যোগে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনা চলছে। প্রচণ্ড রোদ উপেক্ষা করে দর্শনার্থীরা তা উপভোগ করছেন।
কাকরাইল মসজিদ ও শাহবাগের টেনিস কমপ্লেক্স-সংলগ্ন ফটক দিয়ে পার্কে প্রবেশ করছেন দর্শনার্থীরা। প্রবেশমুখ দুটিতে মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে তাদের তল্লাশি করছে পুলিশ। এছাড়া পার্কের ভেতরে আছে প্রয়োজনীয় সংখ্যক পুলিশ সদস্য। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সুসজ্জিত অশ্বারোহী দলকে টহল দিতেও দেখা গেছে।
রমনা পার্কের জারুল চত্বরে জাসাস আয়োজিত বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করেন নতুন কুঁড়ির শিল্পীরা। এছাড়া অন্য শিল্পীরাও গান গেয়েছেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘ঐক্যবদ্ধভাবে শান্তির বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। নববর্ষের এদিনে সারা শহর আনন্দে ভাসছে।’
অনেকেই পার্কের বিভিন্ন স্থানে ছবি তুলেছেন প্রিয়জনদের সঙ্গে। কেউ আবার গাছের ছায়ায় বসেছিলেন। হকারদের পার্কে খেলনা, খাবার বিক্রি করতে দেখা যায়। বিক্রি ভালো বলেও জানান কয়েকজন।
যাত্রাবাড়ী থেকে পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা শারমিন সুলতানা আঁখি বলেন, ‘এটা আমাদের প্রাণের উৎসব। প্রতিবছরই আসি। খাবার সঙ্গে করে নিয়ে আসি। এবারের আয়োজন ও পরিবেশ দুটোই ভালো।’
পরিবারের ২০ সদস্যকে নিয়ে এসেছেন বলেও জানান শারমিন। তিনি বলেন, ‘সবাইকে একসঙ্গে পাই না। সবার ছুটিও থাকে না। অনেক দিন পর সবাই একত্র হলাম।’
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী পরিশা বলেন, পহেলা বৈশাখ জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সবার অনুষ্ঠানে। এটা বাঙালির আয়োজন।
এসএম/একিউএফ
What's Your Reaction?