রাজউক কলেজে শতভাগ পাস হলেও কমেছে জিপিএ-৫

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৯০৭ জনের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৭৪ শিক্ষার্থী। শতভাগ পাসের এই প্রতিষ্ঠানটিতে এবার জিপিএ-৫ পাওয়ার হার কমেছে। এবছর রাজউক থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭৪ দশমিক ৩১ শতাংশ শিক্ষার্থী। আগের তিন বছর এই হার ৮৮ দশমিক ৮৮ থেকে ৯৯ দশমিক ৮৮ শতাংশ ছিল। সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশিত এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে এ তথ্য পাওয়া গেছে। এর আগে, আড়াই ঘণ্টাতেও প্রতিষ্ঠানভিত্তিক এসএসসির ফলাফল পায়নি রাজউক। পরে দুপুর দেড়টার দিকে প্রতিষ্ঠানটি থেকে পুরো স্কুলের ফলাফল জানানো হয়। আরও পড়ুন এসএসসিতে মানবিকের প্রতি ১০০ জনে ৫১ জনই ফেল দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কলেজের অ্যাডমিন মো. তারিকুল ইসলাম সরকার বলেন, ‘আমরা শিক্ষা বোর্ডে যোগাযোগ করেছি। তারা বলেছেন সার্ভারে সমস্যা। এখনো রেজাল্ট পাইনি। সব সময় এমন হয় না, তবে এর আগেও দু-এক বছর রেজাল্ট পেতে এমন দেরি হয়েছে। এবার অনেক বেশি দেরি হচ্ছে। সম্মিলিতভাবে না পেলেও শিক্ষার্থীরা নিজেদের রেজাল্ট পেয়েছে।’ পরে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবভিত্তিক ফল প্রকাশনা ব্যবস্থায় দেখা যায়, রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে মোট ৬৮৬ শিক্ষার্থ

রাজউক কলেজে শতভাগ পাস হলেও কমেছে জিপিএ-৫

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৯০৭ জনের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৭৪ শিক্ষার্থী। শতভাগ পাসের এই প্রতিষ্ঠানটিতে এবার জিপিএ-৫ পাওয়ার হার কমেছে।

এবছর রাজউক থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭৪ দশমিক ৩১ শতাংশ শিক্ষার্থী। আগের তিন বছর এই হার ৮৮ দশমিক ৮৮ থেকে ৯৯ দশমিক ৮৮ শতাংশ ছিল।

সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশিত এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে এ তথ্য পাওয়া গেছে। এর আগে, আড়াই ঘণ্টাতেও প্রতিষ্ঠানভিত্তিক এসএসসির ফলাফল পায়নি রাজউক। পরে দুপুর দেড়টার দিকে প্রতিষ্ঠানটি থেকে পুরো স্কুলের ফলাফল জানানো হয়।

দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কলেজের অ্যাডমিন মো. তারিকুল ইসলাম সরকার বলেন, ‘আমরা শিক্ষা বোর্ডে যোগাযোগ করেছি। তারা বলেছেন সার্ভারে সমস্যা। এখনো রেজাল্ট পাইনি। সব সময় এমন হয় না, তবে এর আগেও দু-এক বছর রেজাল্ট পেতে এমন দেরি হয়েছে। এবার অনেক বেশি দেরি হচ্ছে। সম্মিলিতভাবে না পেলেও শিক্ষার্থীরা নিজেদের রেজাল্ট পেয়েছে।’

পরে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবভিত্তিক ফল প্রকাশনা ব্যবস্থায় দেখা যায়, রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে মোট ৬৮৬ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। তাদের মধ্যে ৬১২ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। অন্যদিকে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ২২১ জন উত্তীর্ণ হয়েছে এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬২ জন।

এর আগে, ২০২৫ সালে প্রতিষ্ঠানটি থেকে ৮২৭ জনের মধ্যে ৯৯ দশমিক ৮৮ শতাংশ উত্তীর্ণ ও ৮৮ দশমিক ৮৮ শতাংশ জিপিএ-৫ পেয়েছিল। ২০২৪ সালে ৭৮০ শিক্ষার্থীর মধ্যে শতভাগ উত্তীর্ণ ও ৯৭ দশমিক ১৮ শতাংশ জিপিএ-৫ পায়। ২০২৩ সালে ৮৬৭ জনের মধ্যে শতভাগ উত্তীর্ণ ও ৯৪ দশমিক ৬৯ শতাংশ জিপিএ-৫ অর্জন করে।

ইএইচটি/একিউএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow