রাজধানীতে গ্যাস সংকটে অনেক বাসায় রান্না বন্ধ, ভোগান্তিতে নগরবাসী
দেশের একটি এলএনজি টার্মিনাল রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য বন্ধ থাকায় এলএনজি থেকে প্রাপ্ত গ্যাস সরবরাহ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমেছে। এর প্রভাব পড়েছে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের অধিভুক্ত এলাকাগুলোতে। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দিনগত রাত ১২টা পর্যন্ত আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প—সব শ্রেণির গ্রাহক প্রান্তে গ্যাসের মারাত্মক স্বল্পচাপ বিরাজ করছে বলে জানা গেছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, গতকাল রোববারের মতো আজ সোমবারও রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সকাল থেকেই চুলায় আগুন জ্বলছে না। কোথাও কোথাও একেবারেই গ্যাস নেই, আবার কোথাও চাপ এতটাই কম যে দীর্ঘ সময় চুলা জ্বালিয়েও রান্না সম্ভব হচ্ছে না। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। মিরপুরের বাসিন্দা নুজহাত আক্তার জাগো নিউজকে বলেন, ‘সকালে নাস্তা বানাতে পারিনি। বাচ্চাদের শুকনো খাবার দিয়ে স্কুলে পাঠাতে হয়েছে। দুপুরেও একই অবস্থা। এভাবে চললে খুব কষ্ট হয়ে যায়।’ মোহাম্মদপুরের বাসিন্দা ইশরাত ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘গ্যাসের জন্য অপেক্ষা করেছি। চুলায় একেবারেই আগুনই জ্বলছে না। বাইরে থেকে খাবার কিনে খেতে হচ্ছে, এতে খরচও বেড়ে যাচ্ছে।’ আজিমপুর এলাকার একজন হ
দেশের একটি এলএনজি টার্মিনাল রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য বন্ধ থাকায় এলএনজি থেকে প্রাপ্ত গ্যাস সরবরাহ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমেছে। এর প্রভাব পড়েছে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের অধিভুক্ত এলাকাগুলোতে।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দিনগত রাত ১২টা পর্যন্ত আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প—সব শ্রেণির গ্রাহক প্রান্তে গ্যাসের মারাত্মক স্বল্পচাপ বিরাজ করছে বলে জানা গেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, গতকাল রোববারের মতো আজ সোমবারও রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সকাল থেকেই চুলায় আগুন জ্বলছে না। কোথাও কোথাও একেবারেই গ্যাস নেই, আবার কোথাও চাপ এতটাই কম যে দীর্ঘ সময় চুলা জ্বালিয়েও রান্না সম্ভব হচ্ছে না। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।
মিরপুরের বাসিন্দা নুজহাত আক্তার জাগো নিউজকে বলেন, ‘সকালে নাস্তা বানাতে পারিনি। বাচ্চাদের শুকনো খাবার দিয়ে স্কুলে পাঠাতে হয়েছে। দুপুরেও একই অবস্থা। এভাবে চললে খুব কষ্ট হয়ে যায়।’
মোহাম্মদপুরের বাসিন্দা ইশরাত ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘গ্যাসের জন্য অপেক্ষা করেছি। চুলায় একেবারেই আগুনই জ্বলছে না। বাইরে থেকে খাবার কিনে খেতে হচ্ছে, এতে খরচও বেড়ে যাচ্ছে।’
আজিমপুর এলাকার একজন হোটেল ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, গ্যাসের চাপ না থাকায় ঠিকমতো রান্না করা যাচ্ছে না। ক্রেতারা এসে ফিরে যাচ্ছেন। তাদের ব্যবসায় বড় ক্ষতি হচ্ছে।
তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, সোমবার দিনগত রাত ১২টার পর থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।
এনএস/এমকেআর
What's Your Reaction?