রাজধানীতে শ্রমিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর মুগদা এলাকার একটি বাসা থেকে মো. সবুজ বাবু (২০) নামের এক শ্রমিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মুগদার পাগল চাঁন হোটেল সংলগ্ন শফিক শেখের বাড়ির নিচতলার একটি কক্ষ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে দুপুরের দিকে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহত সবুজ বাবুর বাড়ি জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ থানায়। তিনি পরিবারের সঙ্গে মুগদার ওই বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। আরও পড়ুন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের এক কয়েদির মৃত্যু ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মুগদা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আবু তারেক দিপু জানান, সকালের দিকে খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। বাড়ির নিচতলার একটি কক্ষে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে বিছানার চাদর পেঁচানো অবস্থায় সবুজ বাবুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, স্বজন ও স্থানীয়দের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, নিহত যুবক দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। কয়েকদিন আগে মাদকের টাকার জন্য বাবার সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিবারটিতে কিছুদিন ধরে তীব্র মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব ও পারি
রাজধানীর মুগদা এলাকার একটি বাসা থেকে মো. সবুজ বাবু (২০) নামের এক শ্রমিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মুগদার পাগল চাঁন হোটেল সংলগ্ন শফিক শেখের বাড়ির নিচতলার একটি কক্ষ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে দুপুরের দিকে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নিহত সবুজ বাবুর বাড়ি জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ থানায়। তিনি পরিবারের সঙ্গে মুগদার ওই বাড়িতে ভাড়া থাকতেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মুগদা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আবু তারেক দিপু জানান, সকালের দিকে খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। বাড়ির নিচতলার একটি কক্ষে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে বিছানার চাদর পেঁচানো অবস্থায় সবুজ বাবুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, স্বজন ও স্থানীয়দের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, নিহত যুবক দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। কয়েকদিন আগে মাদকের টাকার জন্য বাবার সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিবারটিতে কিছুদিন ধরে তীব্র মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব ও পারিবারিক কলহ চলছিল।
ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এমআরএম
What's Your Reaction?
