রাজনীতি থেকে দুই ভূত দূর করতে হবে: মামুনুল হক

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, ‘দেশের রাজনীতি থেকে দুই ভূত বিতাড়িত করতে হবে। এক ভূত হলো সন্ত্রাস, গুণ্ডামি ও চাঁদাবাজি আর দ্বিতীয় ভূত হলো জনগণের সম্পদ নিয়ে দুর্নীতি ও লুটপাটের ভূত। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ভূইয়াগাঁতী বাসস্ট্যান্ড চত্বরে ১১ দলীয় জোটের রিকশা প্রতীকের প্রার্থী মুফতি আব্দুর রউফ সরকারের নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। মাওলানা মামুনুল হক বলেন, ‘আমরা এ দুই ভূত দেশ থেকে বিতাড়িত করতে ১১ দল ঐক্যবদ্ধ হয়েছি। আমরা কোনো ব্যক্তি, দল বা গোষ্ঠীর স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ হইনি। বঞ্চিত, নিপীড়িত ও ভাগ্যহত ১৮ কোটি মানুষের অধিকার তাদের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে আমাদের এই ঐক্য। এ দেশ ব্রিটিশ শাসন থেকে মুক্তি পেলেও প্রকৃত স্বাধীনতার স্বপ্ন পূরণ আজও হয়নি। মহান মুক্তিযুদ্ধের পর মানুষ ভেবেছিল তারা নিজেদের শাসন করবে, কিন্তু আজও সাধারণ মানুষ শোষণ, দুর্নীতি ও বৈষম্যের শিকার।’ তিনি বলেন, ‘দেশে ইনসাফ প্রতিষ্ঠিত হলে যেমন হিন্দুরা অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে না, ঠিক মুসলমানরাও অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে না। ইনসাফ কায়েম হলে কোনো শিশুকে নির্যাতন করার সুযোগ

রাজনীতি থেকে দুই ভূত দূর করতে হবে: মামুনুল হক

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, ‘দেশের রাজনীতি থেকে দুই ভূত বিতাড়িত করতে হবে। এক ভূত হলো সন্ত্রাস, গুণ্ডামি ও চাঁদাবাজি আর দ্বিতীয় ভূত হলো জনগণের সম্পদ নিয়ে দুর্নীতি ও লুটপাটের ভূত।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ভূইয়াগাঁতী বাসস্ট্যান্ড চত্বরে ১১ দলীয় জোটের রিকশা প্রতীকের প্রার্থী মুফতি আব্দুর রউফ সরকারের নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মাওলানা মামুনুল হক বলেন, ‘আমরা এ দুই ভূত দেশ থেকে বিতাড়িত করতে ১১ দল ঐক্যবদ্ধ হয়েছি। আমরা কোনো ব্যক্তি, দল বা গোষ্ঠীর স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ হইনি। বঞ্চিত, নিপীড়িত ও ভাগ্যহত ১৮ কোটি মানুষের অধিকার তাদের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে আমাদের এই ঐক্য। এ দেশ ব্রিটিশ শাসন থেকে মুক্তি পেলেও প্রকৃত স্বাধীনতার স্বপ্ন পূরণ আজও হয়নি। মহান মুক্তিযুদ্ধের পর মানুষ ভেবেছিল তারা নিজেদের শাসন করবে, কিন্তু আজও সাধারণ মানুষ শোষণ, দুর্নীতি ও বৈষম্যের শিকার।’

তিনি বলেন, ‘দেশে ইনসাফ প্রতিষ্ঠিত হলে যেমন হিন্দুরা অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে না, ঠিক মুসলমানরাও অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে না। ইনসাফ কায়েম হলে কোনো শিশুকে নির্যাতন করার সুযোগ থাকবে না। কোনো নারীকেও কেউ তার প্রাপ্য ও ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে পারবে না। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বৈষম্যহীন একটি সমাজ গঠিত হবে।’

জুলাই বিপ্লবের প্রসঙ্গ টেনে মামুনুল হক বলেন, ‘দীর্ঘ দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে স্বৈরাচারের পতন হয়েছে। সব বিভেদ ভেঙে তরুণ সমাজ রাজপথে নেমে এসেছিল। এ জুলাই যোদ্ধার রক্তে এ মাটি পবিত্র হয়েছে। সেই আত্মত্যাগকে যারা সম্মান জানাতে পারে না, দেশের ভবিষ্যৎ তাদের হাতে নিরাপদ নয়।’

তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করতে হবে। এজন্য প্রত্যেককে রিকশা মার্কা ও ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে হবে। এটা নিয়ে কোনো আপস নয়, কোনো নমনীয়তা নয়।’

রায়গঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমির আলী মর্তুজার সভাপতিত্বে সভায় জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য ড. মাওলানা আব্দুস সামাদ ও ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

এম এ মালেক/আরএইচ/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow