রাজশাহীর দুর্গাপুর স্কুলমাঠ ভরাটের অভিযোগ

রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার গৌরিহার গ্রামে একটি পরিত্যক্ত স্কুল ও কলেজের মাঠ ভরাটের অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা ইদ্রিস আলীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। প্রশাসন জানিয়েছে, অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্থানীয়দের অভিযোগ, গত দুই সপ্তাহ ধরে মাঠটিতে মাটি ফেলে ভরাট করা হচ্ছে। এতে দীর্ঘদিন ধরে খেলাধুলার জন্য ব্যবহৃত মাঠটি সংকুচিত হয়ে পড়েছে এবং শিশু-কিশোরদের খেলাধুলা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০০৩ সালে এলাকাবাসীর উদ্যোগে সেখানে গৌরিহার প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য জমি দান করা হয়। পরে বিদ্যালয়টি বন্ধ হয়ে গেলে ২০০৭ সালে একই স্থানে অতিরিক্ত জমি যুক্ত করে গৌরিহার মহিলা টেকনিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হয়। তবে সেটিও দীর্ঘদিন আগে বন্ধ হয়ে যায়। এরপর থেকে মাঠটি স্থানীয়দের খেলাধুলা ও বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানের জন্য ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। সরেজমিনে দেখা গেছে, পাশের একটি পুকুর থেকে মাটি এনে মাঠে ফেলা হচ্ছে। এলাকাবাসীর দাবি, এভাবে সরকারি সম্পত্তি দখলের চেষ্টা চলছে। অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ইদ্রিস আলী বলেন, বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সময় তি

রাজশাহীর দুর্গাপুর স্কুলমাঠ ভরাটের অভিযোগ

রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার গৌরিহার গ্রামে একটি পরিত্যক্ত স্কুল ও কলেজের মাঠ ভরাটের অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা ইদ্রিস আলীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। প্রশাসন জানিয়েছে, অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গত দুই সপ্তাহ ধরে মাঠটিতে মাটি ফেলে ভরাট করা হচ্ছে। এতে দীর্ঘদিন ধরে খেলাধুলার জন্য ব্যবহৃত মাঠটি সংকুচিত হয়ে পড়েছে এবং শিশু-কিশোরদের খেলাধুলা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০০৩ সালে এলাকাবাসীর উদ্যোগে সেখানে গৌরিহার প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য জমি দান করা হয়। পরে বিদ্যালয়টি বন্ধ হয়ে গেলে ২০০৭ সালে একই স্থানে অতিরিক্ত জমি যুক্ত করে গৌরিহার মহিলা টেকনিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হয়। তবে সেটিও দীর্ঘদিন আগে বন্ধ হয়ে যায়। এরপর থেকে মাঠটি স্থানীয়দের খেলাধুলা ও বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানের জন্য ব্যবহৃত হয়ে আসছিল।

সরেজমিনে দেখা গেছে, পাশের একটি পুকুর থেকে মাটি এনে মাঠে ফেলা হচ্ছে। এলাকাবাসীর দাবি, এভাবে সরকারি সম্পত্তি দখলের চেষ্টা চলছে।

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ইদ্রিস আলী বলেন, বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সময় তিনি জমি রেজিস্ট্রি করে দিয়েছিলেন। দলিলে এমন একটি শর্ত ছিল যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেলে জমি দাতাদের কাছে ফেরত যাবে। সেই কারণেই জমির দখল নেওয়া হচ্ছে। তবে জমি ফেরত পাওয়ার জন্য সরকারের কাছে কোনো আনুষ্ঠানিক আবেদন করা হয়নি।

দুর্গাপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আগে কোনো তথ্য তার কাছে ছিল না। জমির দলিল ও রেজিস্ট্রেশনের নথি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাশতুরা আমিনা জানান, এ বিষয়ে মৌখিক অভিযোগ পাওয়ার পর সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মনির হোসেন মাহিন/এনএইচআর/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow